ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারির আহ্বান,পবিত্র রমজানকে স্বাগত জানিয়েরা রাঙ্গামাটিতে ইফা’র শুভেচ্ছা র‍্যালি

প্রতিনিধির নাম
  • ০২:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 0

আহমদ বিলাল খান,

 

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ হাবীব আজম। তিনি বলেন, রমজান হলো আত্মসংযম, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা গ্রহণের সময়। এ সময় সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হওয়া উচিত নয়।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ–এর রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এক শুভেচ্ছা র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শহরের লেকার্স গেট এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিউ মার্কেট এলাকায় গিয়ে সমাপ্ত হয়। এতে আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

র‍্যালি-পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবীব আজম বলেন, রমজান আমাদের ত্যাগ ও মানবিকতার চর্চা শেখায়। কিন্তু প্রতি বছর এ সময়ে কিছু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কিংবা গোপন সমঝোতার মাধ্যমে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেন। এতে স্বল্পআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েন। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা জরুরি।

তিনি জেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে নিয়মিত পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে ভোক্তারা ন্যায্য দামে পণ্য কিনতে পারেন।

হাবীব আজম আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন মুসলিম দেশে এ মাসে ব্যবসায়ীরা মূল্যছাড় দিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। সেই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশীয় ব্যবসায়ীদেরও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দেওয়া উচিত। অতিরিক্ত লাভের প্রবণতা পরিহার করে ক্রেতাদের স্বস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন কালেক্টর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আবুল হাসেম। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ শফিউল আলম আল কাদেরী।

শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে মাহে রমজানের তাৎপর্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারির আহ্বান,পবিত্র রমজানকে স্বাগত জানিয়েরা রাঙ্গামাটিতে ইফা’র শুভেচ্ছা র‍্যালি

০২:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আহমদ বিলাল খান,

 

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোঃ হাবীব আজম। তিনি বলেন, রমজান হলো আত্মসংযম, সহমর্মিতা ও নৈতিকতার শিক্ষা গ্রহণের সময়। এ সময় সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হওয়া উচিত নয়।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ–এর রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এক শুভেচ্ছা র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। শহরের লেকার্স গেট এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করে র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নিউ মার্কেট এলাকায় গিয়ে সমাপ্ত হয়। এতে আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

র‍্যালি-পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবীব আজম বলেন, রমজান আমাদের ত্যাগ ও মানবিকতার চর্চা শেখায়। কিন্তু প্রতি বছর এ সময়ে কিছু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কিংবা গোপন সমঝোতার মাধ্যমে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেন। এতে স্বল্পআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েন। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা জরুরি।

তিনি জেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাজার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে নিয়মিত পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে ভোক্তারা ন্যায্য দামে পণ্য কিনতে পারেন।

হাবীব আজম আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন মুসলিম দেশে এ মাসে ব্যবসায়ীরা মূল্যছাড় দিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। সেই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশীয় ব্যবসায়ীদেরও সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দেওয়া উচিত। অতিরিক্ত লাভের প্রবণতা পরিহার করে ক্রেতাদের স্বস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন কালেক্টর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ আবুল হাসেম। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ শফিউল আলম আল কাদেরী।

শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে মাহে রমজানের তাৎপর্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।