ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

নাটোরের লালপুরে সেনা অভিযানে ৩৪২ পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই আটক

প্রতিনিধির নাম
  • ১০:২০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 4

মনজুরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার

নাটোরের লালপুরে সেনা অভিযানে ৩৪২ পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই আটক,গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ সোমবার ভোরে নাটোরের লালপুর উপ জেলার আব্দুলপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অভিযুক্তদের বাড়ি তল্লাশি করে ৩৪২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় মাদক কারবারে জড়িত দুই পরিচিত ব্যক্তি রাজন ও সুমন উভয় পিতা: হান্নান প্রামানিক নামে দুই সহোদর ভাই কে আটক করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।

অভিযানে তল্লাশি ও তথ্য যাচাই শেষে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আটককৃতদের লালপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় “সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এসেছে। মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান আরও জোরদার হবে। স্থানীয়রা এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন

সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নাটোরের লালপুরে সেনা অভিযানে ৩৪২ পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই আটক

১০:২০:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

মনজুরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার

নাটোরের লালপুরে সেনা অভিযানে ৩৪২ পিস ইয়াবাসহ দুই ভাই আটক,গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আজ সোমবার ভোরে নাটোরের লালপুর উপ জেলার আব্দুলপুর এলাকায় সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অভিযুক্তদের বাড়ি তল্লাশি করে ৩৪২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

অভিযানের সময় মাদক কারবারে জড়িত দুই পরিচিত ব্যক্তি রাজন ও সুমন উভয় পিতা: হান্নান প্রামানিক নামে দুই সহোদর ভাই কে আটক করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত বলে জানা গেছে।

অভিযানে তল্লাশি ও তথ্য যাচাই শেষে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আটককৃতদের লালপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় “সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য এসেছে। মাদক নির্মূলে আমাদের অভিযান আরও জোরদার হবে। স্থানীয়রা এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন এবং মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন

সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে এবং ভবিষ্যতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।