দিনাজপুরের হিলি মালে পাড়ায় রাব্বির বাড়িতে রাব্বি নিজেই চোর সন্দেহে বাবলু নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করেছেএবিষয়ে ২জন আসামী আটক
- ০৯:০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
- / 6

মোঃ সেলিম রেজা শামিম, রিপোর্টার
দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) পৌর সভার মালে পাড়া এলাকায় চোর সন্দেহে বাড়িতে আটকে রেখে একই এলাকার নরপশু রাব্বি নামে বাবলু (৩২) কে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এসময় নওগাঁ ধামুরহাটের মকন্দপুর কামার পড়া এলাকার বিজয় কে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করেন পুলিশ।
এঘটনায় হত্যার সাথে জড়িত অভিযোগে রাব্বির শাশুড়ী মোছাঃ লিনা পারভীন (৪০) ও একই এলাকার জিয়া উদ্দিন (২৫) কে গ্রেফতার করেছে হাকিমপুর থানারপুলিশ।
সন্ধ্যার পরে এলাকাবাসী নরপশু রাব্বির ও তার স্ত্রীর ফাঁসি দা্বিতে স্হানীয় এলাকাবাসী থানায় আসলে হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাজমুল হক সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। এভাবে আশ্বাস দিলে স্থানীয় জনতা থানা ত্যাগ করেন।
শনিবার (১২ জুলাই) বিকেল আনুঃ ৫ টায় হাকিমপুর (হিলি) পৌর সভার দক্ষিণ বাসুদেবপুর (মালেপাড়া) এলাকার রাব্বির বাড়িতে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।নরপশু রাব্বি হাকিমপুর হিলি) পৌর সভার দক্ষিণ বাসুদেবপির (মালেপাড়া) এলাকার আব্দুল গনির ছেলে।
আটক আসামি হলেন হাকিমপুর উপজেলার ৩ নং আলিহাট ইউনিয়নের মিজানুর রহমানের স্ত্রী মোছাঃ লিনা পারভীন ও হাকিমপুর পৌর সভার দক্ষিণ বাসুদেবপুর এলাকার হাতেম আলীর ছেলে মোঃ জিয়া মন্ডল।
পুলিশ নওগাঁ জেলার ধামর হাটের মকন্দপুর কামার পাড়া এলাকার লিপেন কর্মকার এর ছেলে বিজয়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনেন।
স্বরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নরপশু রাব্বির বাড়ির ভিতরে পশ্চিম দিকে গোয়াল ঘরে নিহত বাবলুর মরদেহ পরে আছে। মরদেহের পার্শ্বে নওগাঁ জেলার ধামরহাটের মকন্দপুর কামার পাড়া এলাকার লিপেন কর্মকার এর ছেলে বিজয় বসে আছে।নিহত বাবলুর মা ও ভাবি বলেন, রাব্বির বাড়ি থেকে না কি সোনা ও টাকা চুরি হয়েছে।
তাই চোর সন্দেহে গতকাল জোড় পূর্বক আমাদের বাড়ি থেকে বাবলুকে রাব্বির বাড়িতে ডেকে এনে মারপিট করে। আজ শনিবার আবার বাবলুর বাড়ি গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে কোন কিছু না পেয়ে আবার বাবলুকে রাব্বির বাড়িতে নিয়ে এসে বেদরক মারপিট করে।
বাবলুর মা আরও বলেন, আমার ছেলেকে আজ আবার মারপিট করতিছে এমন খবর পেয়ে থানায় পুলিশের কাছে যায়। পরে পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে আমার ছেলেকে মারপিট করেছে দেখে রাব্বিকে হাসপাতালে ভর্তির কথা বলে চলে যায়।
এর কিছুক্ষন পরে শুনতে পারি বাবলু মারা গেছে। পরে আবার পুলিশ এসে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়। এর মধ্যে রাব্বি ও তার স্ত্রী বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। আমরা এই হত্যার বিচার চাই। বাবলুর মা ও স্থানীয় জনতা বলেন নিহত বাব্ু ট্রেনে ফেরি করে নামাজ শিক্ষা বই, আতর সুরমা ও তশবি বিক্রি করে সংসার চালাতো। কোন দিন চুরি করে নাই।্স্হানীয় কিছু এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে দুপুরের পরে পুলিশ রাব্বির বাড়িতে শেষে বাবলু ও বিজয় কে দেখতে পায়।
পুলিশ তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে নিয়ে গেলে হয়তো বা এই হত্যা কান্ড ঘটতো না। পুলিশ বাবলু কে উদ্ধার না করা এবং রাব্বি ও তার স্ত্রী মোছাঃ মিম কে গ্রেফতার না করায় এই হত্যা কান্ড ঘটেছে বলে স্হানীয় এলাকাবাসীর জানান।
বাবলুর মরদেহ দিনাজপুর মর্গে প্রেরন করেন হাকিমপুর থানা পুলিশ।
এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত থাকায় নরপশু মোঃ রাব্বির শাশুড়ির মোছাঃ লীলা পারভিন ও মোঃ জিয়া মন্ডলকে গ্রেফতার করেছেন হাকিমপুর থানা পুলিশ।
নিহত বাবলু মিয়ার ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছেন। দোষি নরপশু রাব্বিকে দ্রত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবি জানান স্থানীয় এলাকাবাসী




















