ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক ১৪৩৩ বাংলা

কুড়িগ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল মায়ের-গুরুতর আহত বাবা।

মোঃইউসুফ খাঁন রংপুর সংবাদদাতা
  • ১০:১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 28

কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নে এক মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে,এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বাবা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের পেছনে বেলগাছা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পলাশবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে

নিহত মায়ের নাম মুনিরা বেগম (৫৬) অভিযুক্ত ছেলের নাম মোস্তাকিন আলম সুমন (৩৫) ছুরিকাঘাতে তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত টেক্সাটাইল প্রকৌশলী সরদার আলী (৬৫)গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে প্রথমে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে উন্নত
চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমনকে কয়েকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠান তার বাবা-মা। কিন্তু তিনি বারবার পালিয়ে আসেন। তাকে আবারও পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তার বাবা-মা। কিন্তু সুমন তাতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল বাবা-মায়ের সঙ্গে। বুধবার ভোরে সিরাজগঞ্জ থেকে আসা একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রের কর্মীরা সুমনকে নিতে তাদের বাড়িতে অপেক্ষা করছিলেন।

বিষয়টি বুঝতে পেরে সুমন তার ঘর থেকে বের হয়ে ছুরি দিয়ে তার মায়ের বুকে আঘাত করেন। এ সময় তার বাবা এগিয়ে গেলে তার পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান সুমন। বাড়িতে থাকা মাদক নিরাময় কেন্দ্রের লোকজন গুরুতর আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মুনিরা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।

গুরুতর আহত সরদার আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে সরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামে ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল মায়ের-গুরুতর আহত বাবা।

১০:১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

কুড়িগ্রাম সদরের বেলগাছা ইউনিয়নে এক মাদকাসক্ত ছেলের ছুরিকাঘাতে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে,এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বাবা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের পেছনে বেলগাছা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পলাশবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে

নিহত মায়ের নাম মুনিরা বেগম (৫৬) অভিযুক্ত ছেলের নাম মোস্তাকিন আলম সুমন (৩৫) ছুরিকাঘাতে তার বাবা অবসরপ্রাপ্ত টেক্সাটাইল প্রকৌশলী সরদার আলী (৬৫)গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে প্রথমে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে উন্নত
চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমনকে কয়েকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠান তার বাবা-মা। কিন্তু তিনি বারবার পালিয়ে আসেন। তাকে আবারও পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তার বাবা-মা। কিন্তু সুমন তাতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল বাবা-মায়ের সঙ্গে। বুধবার ভোরে সিরাজগঞ্জ থেকে আসা একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রের কর্মীরা সুমনকে নিতে তাদের বাড়িতে অপেক্ষা করছিলেন।

বিষয়টি বুঝতে পেরে সুমন তার ঘর থেকে বের হয়ে ছুরি দিয়ে তার মায়ের বুকে আঘাত করেন। এ সময় তার বাবা এগিয়ে গেলে তার পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান সুমন। বাড়িতে থাকা মাদক নিরাময় কেন্দ্রের লোকজন গুরুতর আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মুনিরা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।

গুরুতর আহত সরদার আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে সরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।