ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবসে রাঙামাটির প্রতিটি মসজিদে মোনাজাতের আহ্বান।

প্রতিনিধির নাম
  • ০১:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • / 4

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাঙামাটির প্রতিটি মসজিদে বিশেষ মোনাজাত আয়োজন করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙামাটি জেলা কার্যালয়। জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ দুই দিনকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করতে জেলার সর্বস্তরের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ কামনা করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ মার্চ) রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্থতা এবং দেশের সার্বিক শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া করা হবে। পাশাপাশি জাতির অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, জেলার প্রতিটি মসজিদের ইমাম, খতিব ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি-সম্পাদকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যথাযথভাবে মোনাজাতের আয়োজন নিশ্চিত করতে হবে। ধর্মীয় এ আয়োজনকে সফল করতে স্থানীয় মুসল্লিদেরও সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এমন তাৎপর্যপূর্ণ দিনে সম্মিলিতভাবে দোয়া করা কেবল ধর্মীয় অনুশীলনই নয়, বরং এটি দেশপ্রেম, ঐক্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রকাশ। তাই রাঙামাটির সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এসে প্রতিটি মসজিদে মোনাজাত সফল করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবসে রাঙামাটির প্রতিটি মসজিদে মোনাজাতের আহ্বান।

০১:৫৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাঙামাটির প্রতিটি মসজিদে বিশেষ মোনাজাত আয়োজন করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাঙামাটি জেলা কার্যালয়। জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ দুই দিনকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করতে জেলার সর্বস্তরের মুসল্লিদের অংশগ্রহণ কামনা করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ মার্চ) রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ ইকবাল বাহার চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা, আহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্থতা এবং দেশের সার্বিক শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া করা হবে। পাশাপাশি জাতির অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রার্থনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, জেলার প্রতিটি মসজিদের ইমাম, খতিব ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি-সম্পাদকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যথাযথভাবে মোনাজাতের আয়োজন নিশ্চিত করতে হবে। ধর্মীয় এ আয়োজনকে সফল করতে স্থানীয় মুসল্লিদেরও সক্রিয় অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এমন তাৎপর্যপূর্ণ দিনে সম্মিলিতভাবে দোয়া করা কেবল ধর্মীয় অনুশীলনই নয়, বরং এটি দেশপ্রেম, ঐক্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রকাশ। তাই রাঙামাটির সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে এসে প্রতিটি মসজিদে মোনাজাত সফল করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।