ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

অসম্পূর্ণ সড়ক নির্মান টুঙ্গিপাড়ায় জনগণের চরম ভোগান্তি

প্রতিনিধির নাম
  • ০২:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 2

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

 

গোপালগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঘোনাপাড়া থেকে শুরু হয়ে মধুমতি নদীর ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তৃত ঢাকা-পিরোজপুর মহাসড়কের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই রাস্তাটি বিগত সরকারের সময়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কাজ হিসেবে অনুমোদিত হলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আরবিএল কনস্ট্রাকশন প্রায় ৯.৩ কিলোমিটার কাজ শেষ করে বাকি ৬০০ থেকে ৭০০ মিটার অসমাপ্ত রেখেই গা ঢাকা দেয়।

ভোগান্তির চিত্র

বৃষ্টির মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই ওই অংশে পানি জমে কাদায় পরিণত হয়েছে। হাঁটুসমান পানিতে ডুবে যাচ্ছে রাস্তার পাটগাতি বাস স্ট্যান্ড পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের সামনে, বিশেষ করে টুংগীপাড়া উপজেলা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সামনে রোডের বেহাল অবস্থা এবং এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্স বা অটোরিকশাও সহজে চলাচল করতে পারছে না।

স্থানীয় দোকানদার ও বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “প্রতিদিনই কোনো না কোনো গাড়ি এই কাদা ও পানির গর্তে আটকে যাচ্ছে। একাধিকবার রিকশা উল্টে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এই বর্ষায় এই রাস্তায় চলাচল মানে নিজেকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অসম্পূর্ণ সড়ক নির্মান টুঙ্গিপাড়ায় জনগণের চরম ভোগান্তি

০২:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

 

গোপালগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ঘোনাপাড়া থেকে শুরু হয়ে মধুমতি নদীর ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তৃত ঢাকা-পিরোজপুর মহাসড়কের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই রাস্তাটি বিগত সরকারের সময়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কাজ হিসেবে অনুমোদিত হলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান আরবিএল কনস্ট্রাকশন প্রায় ৯.৩ কিলোমিটার কাজ শেষ করে বাকি ৬০০ থেকে ৭০০ মিটার অসমাপ্ত রেখেই গা ঢাকা দেয়।

ভোগান্তির চিত্র

বৃষ্টির মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকেই ওই অংশে পানি জমে কাদায় পরিণত হয়েছে। হাঁটুসমান পানিতে ডুবে যাচ্ছে রাস্তার পাটগাতি বাস স্ট্যান্ড পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসের সামনে, বিশেষ করে টুংগীপাড়া উপজেলা ১০০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সামনে রোডের বেহাল অবস্থা এবং এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্স বা অটোরিকশাও সহজে চলাচল করতে পারছে না।

স্থানীয় দোকানদার ও বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “প্রতিদিনই কোনো না কোনো গাড়ি এই কাদা ও পানির গর্তে আটকে যাচ্ছে। একাধিকবার রিকশা উল্টে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এই বর্ষায় এই রাস্তায় চলাচল মানে নিজেকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া।”