ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ডাক্তার হতে চাই,এতিম অসহায় মেধাবী মতিউরের স্বপ্ন

প্রতিনিধির নাম
  • ১১:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 2

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

 

কথায় আছে যার মা নেই তার দুনিয়ায় কেউ নেই শুধু মাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া। এযেন গবরে পদ্মফুল,
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এতিম মতিউর (১৯), তিনি জানান জন্মের পর আমার মা মারা যায়, বাবা ইসহাক আলী অন্য জায়গায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন,বাবার আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায়, মানুষের জমিতে ভাংগা একটা ঝুপড়ি কুড়ে ঘরে আমি একা থাকি, মেধা তালিকায় ২০১৬সালে আমি গর্ভভবানী পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পিএসি পরীক্ষায় জিপিএ -৫পাই, ২০২২সালে, ভাতুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ -৫এবং হরিপুর মসলিম উদ্দিন সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় – ৫ পেয়ে উত্বৃীন হই।

তিনি আরো জানান শিক্ষা জীবনে কোচিং প্রাইভেট আমার কপালে জুটেনি রাত ১২ টা ১টা পর্যন্ত পড়ালেখা করি। কখনো খাই আবার কখনো না খেয়ে থাকি , তিনটা বাচ্চা প্রাইভেট পড়াই আবার কখনো মানুষের ক্ষেতে দিনমুজুরের কাজ করি। এতে আমার বই কেনার টাকা কিছুটা হয়।

 

তা দিয়েই জীবন যুদ্ধে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলছি পবিএ ঈদুল ফিতরের একটা ছেড়া প্যান্ট একটা ছেড়া শার্ট ছাড়া কিছুই নেই এভাবেই আমার ঈদ কেটেছে। এ যাবত আমি কয়েকটি মেডিকেল কলেজে পরীক্ষা দিয়েছি, মেধা থাকা সত্যেও আমার জায়গা হয়নি, সামনে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পরীক্ষা আছে, এই সামন্য উপার্জনে পড়ালেখা এবং নিজের ভোরন পোষণ মিটাতে আমার পক্ষে খুব কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে। আমি চাই ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মহোদয় আমার পাশে দ্বারান আমাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন , আমি ভবিষ্যতে একজন ভালো ডাক্তার হয়ে জনস্বার্থে, দেশের স্বার্থে নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখতে পারি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ডাক্তার হতে চাই,এতিম অসহায় মেধাবী মতিউরের স্বপ্ন

১১:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল ২০২৫

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

 

 

কথায় আছে যার মা নেই তার দুনিয়ায় কেউ নেই শুধু মাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া। এযেন গবরে পদ্মফুল,
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ভাতুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এতিম মতিউর (১৯), তিনি জানান জন্মের পর আমার মা মারা যায়, বাবা ইসহাক আলী অন্য জায়গায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন,বাবার আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায়, মানুষের জমিতে ভাংগা একটা ঝুপড়ি কুড়ে ঘরে আমি একা থাকি, মেধা তালিকায় ২০১৬সালে আমি গর্ভভবানী পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পিএসি পরীক্ষায় জিপিএ -৫পাই, ২০২২সালে, ভাতুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ -৫এবং হরিপুর মসলিম উদ্দিন সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় – ৫ পেয়ে উত্বৃীন হই।

তিনি আরো জানান শিক্ষা জীবনে কোচিং প্রাইভেট আমার কপালে জুটেনি রাত ১২ টা ১টা পর্যন্ত পড়ালেখা করি। কখনো খাই আবার কখনো না খেয়ে থাকি , তিনটা বাচ্চা প্রাইভেট পড়াই আবার কখনো মানুষের ক্ষেতে দিনমুজুরের কাজ করি। এতে আমার বই কেনার টাকা কিছুটা হয়।

 

তা দিয়েই জীবন যুদ্ধে অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলছি পবিএ ঈদুল ফিতরের একটা ছেড়া প্যান্ট একটা ছেড়া শার্ট ছাড়া কিছুই নেই এভাবেই আমার ঈদ কেটেছে। এ যাবত আমি কয়েকটি মেডিকেল কলেজে পরীক্ষা দিয়েছি, মেধা থাকা সত্যেও আমার জায়গা হয়নি, সামনে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পরীক্ষা আছে, এই সামন্য উপার্জনে পড়ালেখা এবং নিজের ভোরন পোষণ মিটাতে আমার পক্ষে খুব কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছে। আমি চাই ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মহোদয় আমার পাশে দ্বারান আমাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন , আমি ভবিষ্যতে একজন ভালো ডাক্তার হয়ে জনস্বার্থে, দেশের স্বার্থে নিজেকে সর্বদা নিয়োজিত রাখতে পারি।