ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কর্মসূচি উদ্বোধন করেন – আখতারুল আলম ফারুক
- ১২:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
- / 18

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির অংশ হিসেবে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার ৩টি ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের শুভ উদ্ভোধন করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ২টায় উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে ১২ নং আছিম পাটুলী ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের বাঁশদী এবং তিতারচালা গ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক।
আখতারুল আলম ফারুক বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কোনো টাকা দিতে হবে না। কার্ডের তালিকায় নাম তোলার কথা বলে কেউ টাকা চাইলে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ১০৯৮-এ অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে। এবং সরাসরি আমাকে ফোন দিয়ে জানাবেন। প্রয়োজনে বেধে রাখবেন।
এর আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন ফুলবাড়িয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখতারুল আলম, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোজাম্মেল হক সহ সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোজাম্মেল হক।
সমাজসেব অফিসার মোজাম্মেল হক বলেন, গত ১০ মার্চ ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
ফুলবাড়িয়ায়কর্মীদের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণও সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহকারীরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইস ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে এসব তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কার্যক্রমটি নিরাপদ ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য মোবাইল সিম কার্ড সংগ্রহ, নেটওয়ার্কভিত্তিক সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা, কর্মী ব্যবস্থাপনা এবং নেটওয়ার্ক অপারেশন সেন্টার (এনওসি) স্থাপনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছ মন্ত্রণালয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশব্যাপী আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরপর পিএমটি পদ্ধতিতে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা মূল্যায়ন করে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবার নির্বাচনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হালনাগাদ প্রক্সি মিনস টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। এ পদ্ধতিতে দেশের পরিবারগুলোকে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত।
এসময় তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারের হাতে তথ্য সংগ্রহের জন্য অতিথিবৃন্দ ট্যাপ তুলে দেন।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীনুর মল্লিক জীবন, আছিম-পাটুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমরুল কায়েস, উপজেলা বিএনপির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম খোকন,বিএনপি নেতা এছাহাক আলী, গোলাম মোস্তফা, উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক তাসলিমা খাতুন, দক্ষিণ জেলা ছাত্র দলের সহ-সাধারন সম্পাদক মাইনুল হক সিফাদ,ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান চঞ্চল সহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ।





















