খাট্রাউছনা বাজারে এক অসহায় দোকানদারের নগদ অর্থসহ আড়াই লক্ষ টাকার মালা- মাল লুট
- ০২:৫৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
- / 17

ভোর রাত্রি আনুঃ সাড়ে ৪ টায় দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার খাট্রাউছনা বাজারের ৪ মাথা মোড়ে অসহায় গরিব বেকারী দোকানদার মোঃ শহিদুল ইসলামের ঘরের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে নগদ অর্থ, বেকারীর মালামাল ও একটি কালার এল ই ডি টিভি লুট করে বেকারী দোকানের টেবিল চেয়ার ফ্রিজ যাবতীয় দোকানের আসবাপ পত্র ভাংচুর করে দোকানের সামনে রাস্তায় ফেলিয়ে দিয়েছে এক প্রকৃতির অসাধু ব্যাক্তি।
স্বরেজমিনে গিয়ে জানানগেছে অসহায় গরিব মোঃ শহিদুল ইসলাম সাবেক ২ নং বোয়ালদাড় ইউ পি চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদ্যোৎ হোসেনের নিকট থেকে ১০০ টাকা করে ২ টি মোট ২০০ টাকা ষ্ট্যাম্পে মোঃ শহিদুল ইসলাম গত ০১/০৮/২৬ ইং তারিখে নগদ ৫০ হাজার টাকা মাসিক ভাড়ায় নিয়ে দোকান পাঠ করে এই দোকানের উপর আয় রোজগার স্ত্রী- সন্তানদের নিয়ে জিবন জিবিকা অর্জন করে সংসার পরিচালনা করে আসিতেছিলেন। হঠাৎ গত ০৪/১০/২৬ ইং তারিখে ভোর আনুঃ ৬ টায় পার্শ্ববত্তী এমাজ নামে এক ব্যাক্তি বাড়িতে গিয়ে শহিদুল ইসলামকে ডেকে বলেন তোর দোকান ঘরের টেবিল চেঁয়ার সব রাস্তায় পড়ে আছে। এ সংবাদ পেয়ে ছুটে চলে যান দোকানে। সেখা গিয়ে দেখেন ঘরে তালা মারা এবং নগদ অর্থ সহ বেকারী মালামাল সব লুট ফ্রিজ দোকানের চেয়ার টেবিল সব বাহিরে পড়ে আছে। তবে কে এই কাজ করছেে এখন প্রর্যন্ত কাউকে সনাক্ত করতে পারেন নাই।
শহিদুল ইসলাম স্হানীয় সাংবাদিকদের জানান ইতি পূর্বে ২ বার শাহাদ্যোৎ হোসেনের ও তাহার আপন বড় ভাই আ্যামেকিকান প্রবাসী মোঃ আহসান হাবিব বুলু ২ ভাইয়ে এই ভাড়া নিয়ে দন্দো। আহসান হাবিবের লোকজন এসে বলেন এই ঘর আহসান হাবিব বুল ভাইয়ের এ ঘরের ভাড়া আমাদের দিবেন। এভাবে দোকানের ভাড়া না দেওয়াই এমন কাজটি আহসান হাবিব বুলু ভাইয়ের লোকজনই করছে। যদি তাহারাই করেন এমন কাজটি তাহলে এমন কাজটি করা কি ঠিক হয়েছে।
এদিকে শাহাদ্যোৎ হোসেন নিকট একাধিক বার বিষয়টি অবগত করলেও আজ প্রর্যস্ত কোন সুরহা পান নি।
এ দিগে শাহাদ্যোৎ হোসেন তাহার বড় ভাই মোঃ আহসান হাবিবের নিকট গত ০১/০৭/২৩ ইং তারিখে ৪:জন স্বাক্ষীদের উপস্হিতে ৭ লক্ষ নগদ টাকা বুঝিয়ে নিয়ে ১০০ টাকার ৩;টি ষ্ট্যাম্পে মোট ৩০০ টাকার ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেন শাহাদ্যোৎ হোসেন। এভাবে সে দোকানের মালিক আহসান হাবিব বুলু। এই দোকান ঘরটি নিয়ে ২ আপন ভাইয়ের দন্দো থাকায় এমন কাজটি আহসান হাবিব বুলুর লোকজনই করছে।
এবিষয়ে ইতি পূর্বে ২ বার তালা মেরেছিলেন আহসান হাবিব বুলুর লোকজন। একবার হাট কমিটি খুলে দিয়েছিলেন, আর একবার থানা পুলিশ এসে খুলে দিয়ে ছিলেন।
৩ য় বারে এমন ঘটনা হলো।
তাই এই ঘর যেহেতু শাহাদ্যোৎ ভাড়া দিয়েছেন। আমার নগদ অর্থ দোকানের মালামা্ল লৃট ও দেকান ঘরের যাবতীয় মালা-মাল ভাংচুর করার ক্ষতি পুরন সহ দ্রত সর্বমোট আড়াই লক্ষ টাকা শহিদুল ইসলামকে বুঝে দেওয়া হৌক এমনটায় দাবী ভুক্ত ভেগী শহিদুল ইসলাম সহ স্হানীয় সচেতন মহলের।
তবে এ বিষয়ে মোঃ শাহাদ্যোৎ হোসেনের মুঠো ফোনে জানা গেছে
সে তাহার বড় ভাইয়ের নিকটে এই দোকানঘর বিক্রি কনেন নাই।
এবং কোন টাকা নেন নি ও কোন ষ্ট্যাম্পে কোন স্বাক্ষর করেন নি বলে জানা গেছে।





















