ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

আত্মমর্যাদা রক্ষা ও বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা: অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটালেন ফজলুল করিম লাকি ​

এসডি সোহেল রানা,রিপোর্টার,
  • ০৫:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 13

কখনো কখনো মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় উপহার হয়ে দাঁড়ায় একটুখানি স্বস্তি। বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকটে ভোগা এক অসহায় মায়ের কষ্টের কথা জানতে পেরে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সমাজসেবক ফজলুল করিম লাকি। ওই পরিবারের দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট লাঘব করার উদ্দেশ্যে তিনি সম্প্রতি একটি টিউবওয়েল প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
​সংসংলগ্ন ছবিতে দেখা যায়, ফজলুল করিম লাকি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে সঙ্গে নিয়ে অত্যন্ত সাদামাটাভাবে ওই পরিবারের মাঝে টিউবওয়েলের মূল উপাদান (হেড/পাম্প) হস্তান্তর করছেন।
​সহায়তা প্রদানকালে ফজলুল করিম লাকি জানান, এটি হয়তো একটি ছোট্ট উদ্যোগ, তবে যে পরিবারকে প্রতিদিন নিরাপদ পানির জন্য কষ্ট করতে হতো, তাদের কাছে এই টিউবওয়েলটি কেবল পানির নিশ্চয়তাই দেবে না, বরং বাঁচাবে মূল্যবান সময় এবং জীবনে ফিরিয়ে আনবে স্বস্তি।
​তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, “সাহায্য করার সময় যেন কোনো মানুষের আত্মসম্মানে আঘাত না লাগে—সেদিকটা খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারো অসহায়ত্ব প্রদর্শন নয়, বরং মানুষের মর্যাদা রক্ষা করে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতা।”
​মানবসেবার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তিনি সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন, যেন ভবিষ্যতেও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আত্মমর্যাদা রক্ষা ও বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা: অসহায় পরিবারের মুখে হাসি ফুটালেন ফজলুল করিম লাকি ​

০৫:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

কখনো কখনো মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় উপহার হয়ে দাঁড়ায় একটুখানি স্বস্তি। বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকটে ভোগা এক অসহায় মায়ের কষ্টের কথা জানতে পেরে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সমাজসেবক ফজলুল করিম লাকি। ওই পরিবারের দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট লাঘব করার উদ্দেশ্যে তিনি সম্প্রতি একটি টিউবওয়েল প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
​সংসংলগ্ন ছবিতে দেখা যায়, ফজলুল করিম লাকি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে সঙ্গে নিয়ে অত্যন্ত সাদামাটাভাবে ওই পরিবারের মাঝে টিউবওয়েলের মূল উপাদান (হেড/পাম্প) হস্তান্তর করছেন।
​সহায়তা প্রদানকালে ফজলুল করিম লাকি জানান, এটি হয়তো একটি ছোট্ট উদ্যোগ, তবে যে পরিবারকে প্রতিদিন নিরাপদ পানির জন্য কষ্ট করতে হতো, তাদের কাছে এই টিউবওয়েলটি কেবল পানির নিশ্চয়তাই দেবে না, বরং বাঁচাবে মূল্যবান সময় এবং জীবনে ফিরিয়ে আনবে স্বস্তি।
​তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, “সাহায্য করার সময় যেন কোনো মানুষের আত্মসম্মানে আঘাত না লাগে—সেদিকটা খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারো অসহায়ত্ব প্রদর্শন নয়, বরং মানুষের মর্যাদা রক্ষা করে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবিকতা।”
​মানবসেবার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তিনি সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন, যেন ভবিষ্যতেও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারেন।