নাটোরের লালপুরে মাদক ও ইমো হ্যাকিং চক্রের ১২ সদস্য গ্রেফতার
- ১১:৪১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
- / 1

মনজুরুল ইসলাম নাটোর প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুরে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে ইমো হ্যাকিং ও মাদক সেবনে জড়িত কিশোর গ্যাংয়ের ১২ জনকে আটক করে। তাদের বুধবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করে।
লালপুর থানা সূত্রে জানাযায়, বুধবার (৯ জুলাই) ভোর ৫টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বিলমাড়িয়ায় অভিযান চালায়। অভিযানে ১২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে ইমো অ্যাপ ব্যবহার করে সাইবার প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল এবং মাদকসেবনের মাধ্যমে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে ।
ইমো হ্যাকাররা অ্যাপের মাধ্যমে দেশি ও প্রবাসী নাগরিকদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে ভিডিও কলে অশ্লীলতা প্রদর্শন করে গোপনে ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত। শুধু তাই নয়, তারা নিজেদের ‘কিশোর গ্যাং’ পরিচয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও যুবসমাজকে মাদকসেবনে প্রলুব্ধ করছিল।
অভিযানের তাদের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ১৬টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ১২টি বাটন মোবাইল ফোন, ৩০টি অতিরিক্ত সিমকার্ড, ১টি দেশীয় তৈরি অস্ত্র সহ ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা উদ্ধার করা হয় ।
অভিযান শেষে আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে লালপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আটককৃত রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চকসাঁতারি গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে রাসেল ইসলাম (২৯), লালপুর উপজেলার মোহরকয়া গ্রামের শাহজালালের ছেলে রাব্বি (২১), রিয়াজ আহমেদ (২০), আরিফ হোসেনের ছেলে আবির হোসেন (১৯), তাদের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে।
বিলমারিয়ার সাইদুল মন্ডলের ছেলে প্রান্ত মন্ডল (২২), মকলেস মন্ডলের ছেলে মুরাদ মন্ডল (৩৭), আব্দুল কাদেরের ছেলে কাউসার আলী (২৪),
বিলমারিয়ার সাব্বির মন্ডলের ছেলে সনজিৎ মন্ডল সনজিত মন্ডল (১৯), রহিমপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সাগর আহমেদ (১৯), মোহরপাড়া গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে রেদওয়ান আহমেদ (১৯), বড়বাদকয়া গ্রামের আবু আওয়ালের ছেলে কায়সার মুন্না (২২), আরিফ হোসেনের ছেলে মমিন (১৯), তাদের লালপুর থানার সাইবার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনে পৃথক দুটি মামলায় আটক করা হয়েছে।
লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমিনুজ্জামান জানান, আটককৃতদের মধ্যে ৪জনকে মাদক আইনে ও ৮জনকে সাইবার নিরাপত্তা ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ আইনে পৃথক দুটি মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




















