ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • ০২:২৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 1

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের দক্ষিণ কুশলী ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শিকদার বাড়িতে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তৈয়ব আলী সিকদার নামক এক ব্যক্তি সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের জমি দখল করে সেখানে একটি কাঠের ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে তারা খবর দেন পুলিশে, এবং পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার পরও, তৈয়ব আলী সিকদারের পক্ষ থেকে ঘর নির্মাণের কাজ চলতে থাকে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকরা তৈয়ব আলী সিকদারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এই জায়গা আমার বাপের সম্পত্তি। দীর্ঘ তিন বছর ধরে খাজনা না দেওয়ার কারণে জমিটি সরকারী নামে চলে যায়। বর্তমানে আদালতে এই জমির মালিকানা নিয়ে মামলা চলছে, এবং আমি আমার জমিতে ঘর নির্মাণ করছি।

তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জমিটি সরকারী সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত, এবং এটি দখলের কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, এবং স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন যে, সরকারী জমি অবৈধভাবে দখল করার চেষ্টা হতে পারে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, তারা চাইছেন, এই ধরনের অবৈধ দখল করা বন্ধ হোক এবং সরকারের জমি সুরক্ষিত রাখা হোক।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

০২:২৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

 

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলী ইউনিয়নের দক্ষিণ কুশলী ৭ নম্বর ওয়ার্ডের শিকদার বাড়িতে অবৈধভাবে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তৈয়ব আলী সিকদার নামক এক ব্যক্তি সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের জমি দখল করে সেখানে একটি কাঠের ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে তারা খবর দেন পুলিশে, এবং পুলিশ এসে কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। কিন্তু পুলিশ চলে যাওয়ার পরও, তৈয়ব আলী সিকদারের পক্ষ থেকে ঘর নির্মাণের কাজ চলতে থাকে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকরা তৈয়ব আলী সিকদারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এই জায়গা আমার বাপের সম্পত্তি। দীর্ঘ তিন বছর ধরে খাজনা না দেওয়ার কারণে জমিটি সরকারী নামে চলে যায়। বর্তমানে আদালতে এই জমির মালিকানা নিয়ে মামলা চলছে, এবং আমি আমার জমিতে ঘর নির্মাণ করছি।

তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জমিটি সরকারী সম্পত্তি হিসেবে চিহ্নিত, এবং এটি দখলের কোনো বৈধ অনুমোদন নেই। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, এবং স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন যে, সরকারী জমি অবৈধভাবে দখল করার চেষ্টা হতে পারে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, তারা চাইছেন, এই ধরনের অবৈধ দখল করা বন্ধ হোক এবং সরকারের জমি সুরক্ষিত রাখা হোক।