ফুলবাড়ীয়ায় শত্রুতার জেরে বিষ দিয়ে পুকুরে মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ
- ০৪:১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
- / 14

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কালাদহ ইউনিয়নের বাহার চালা গ্রামে থানায় জিডি করায় শত্রুতার জেরে বাদীর পুকুরের মাছ বিষ দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে গিয়ে দেখা যায় পুকুরে রুই, কাতল, মৃগেল, শরপুটি, পাবদাসহ বিভিন্ন প্রকারের মাছ ভেসে সাদা হয়ে আছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন এটি রীতিমত অন্যায় কারণ মানুষের সাথে শত্রুতা থাকতে
পারে কিন্তু পানীর মাছের সাথে কিসের শত্রুতা?
জানা যায়, উপজেলার ১০নং কালাদহ ইউনিয়নের বড়িলবিল সুইচ গেইট সংলগ্ন বাহারচালায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সৌদি প্রবাসী হাবিবুর রহমানের বাড়ীর (সড়ক ঘেঁষে) দক্ষিণ অংশের একটি পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।
তবে মাছ মরার পেছনে বিষ প্রয়োগ অন্য কোন উপায় অবলম্বন করা হয়েছে তা স্পষ্ট করে কেউ বলতে পারেননি। তবে প্রবাসী পরিবারের সাথে তারই চাচা রাজ মাহমুদ ও চাচাতো ভাই সুজন ও সুমনদের সাথে জমাজমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে ফুলবাড়ীয়া থানায়
একটি সাধারণ (জিডি) ডায়েরী হয়েছে গত ১৩ অক্টোবর। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
প্রবাসীর স্ত্রী রুবিনা আক্তার পুতুল বলেন, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে তাঁর পুকুরে বিষ প্রয়োগ করা হয়।
পরদিন বুধবার সকালে পুকুরে গিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরতে দেখে। প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর ধরে তিনি ওই পুকুরে মাছ চাষ করছেন। তাঁর স্বামী পাঁচ বছর ধরে প্রবাসে থাকেন।
সে সময় থেকে চাচা শ্বশুর ও তাঁর দুই ছেলের পরিবারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছে। গত শুক্রবার সকালে চাচা শ্বশুর ও তাঁর ছেলেরা তাঁকে মারধর ও গালিগালাজ করেন। এ ঘটনায় তাঁর বাবা ও ভাই আইনের আশ্রয় নেন। এর প্রায় দুই সপ্তাহ পর পুকুরে মাছ মরে ভেসে ওঠে।
এতে প্রায় ৩লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
রুবিনা আরও বলেন, পুকুরে মাছ চাষ করে প্রতিবছর তিনি আয় করতেন। মাছ মরে যাওয়ায় এবার বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তিনি। পূর্ববিরোধের জের ধরে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন করা হয়েছে বলে তার অভিযোগ।
স্থানীয় পথচারী কয়েকজন জানান, আগেকার (অতীতে) মানুষের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হতো স্থানীয় ও সামাজিকভাবে না অইলে আইনের মাধ্যমে মিট-মিমাংসা অইতো, এহনা যে কী যুগ আইলে পুকুরে বিষ দেয়, কলা ও লেবুর বাগান কাইট্ট্রা ফেলায়।
এরা কী মানুষ! যদি এটার উপযুক্ত বিচার হতো, তাহলে জিনিসপাতির (যারা কথা বলতে পারে না) সাথে শত্রুামি করতো না। ফসলের সাথে শত্রুামির উপযুক্ত বিচার দাবী করছি।





















