ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা ও ইতিবাচক পরিবর্তন স্পষ্ট, স্থানীয় সরকার সচিব

প্রতিনিধির নাম
  • ০৮:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 3

 

 

ঢাকা বিভাগীয় প্রতিনিধি,

 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী বলেছেন, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন একটি ইতিবাচক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। বর্তমানে বলা হয়ে থাকে- পরিবর্তনই হলো একমাত্র নতুন দিনের প্রত্যাশা।
তিনি বলেন, নেতৃত্ব, প্রযুক্তি ও অন্যান্য বিষয়ে জ্ঞান অর্জন এখন অত্যন্ত জরুরি। তরুণরা দেশকে নিয়ে কী ভাবছে, কীভাবে তারা পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বকে এগিয়ে নিতে চায় সেই ভাবনাগুলো প্রকাশের সুযোগ করে দিতেই আমরা দেশব্যাপী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতেই এই আয়োজন, যা ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের জন্য উপকারী হবে। আজকের প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা যেভাবে তাদের ধারণা উপস্থাপন করেছে,বিগত দিনের তুলনায় অনেক উন্নত।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘জাতীয় নীতি প্রতিযোগিতা ২০২৫’-এর বাকৃবি পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টিম ‘আইডিআরওএফ’। ফার্স্ট রানার আপ হয়েছে টিম ‘ডেল্টা ২১০০’ এবং সেকেন্ড রানার আপ হয়েছে টিম ‘বিএইউ-নোভা’। বিজয়ীদের হাতে মেডেল, সম্মাননা স্মারক ও নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
‘যুব উৎসব ২০২৫’-এর অংশ হিসেবে এবং ‘জুলাই আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী’ উপলক্ষে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এতে তরুণ শিক্ষার্থীরা নীতিনির্ধারণ, উন্নয়ন ও নেতৃত্ব বিষয়ক চিন্তাভাবনা ও প্রস্তাবিত নীতিপত্র উপস্থাপন করেন। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত বিষয়বস্তু ছিল- কৃষি, নদী ও উন্নয়নের গতিপথ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং ফিশারিজ বায়োলজি ও জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
সমাপনী পর্বে নির্বাচিত পাঁচটি দল তাদের নীতিপত্র উপস্থাপন করে, যার মধ্যে তিনটি দলকে সেরা হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। এর আগে প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২টি অংশগ্রহণকারী দলের মধ্য থেকে ৯টি দল বাছাই করা হয়। পরবর্তী ধাপে ওই ৯টি দলের মধ্যে থেকে ৫টি দল সমাপনী পর্বে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রায় ২২টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। তরুণদের এই প্রচেষ্টাকে আমি সবসময় শ্রদ্ধা জানাই এবং তাদের আরও উৎসাহিত করতে চাই। আমি সবসময় চেষ্টা করি যাতে তারা সুযোগ পায় এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের ২২তম ইন্টার্নশিপ ব্যাচের ইন্টার্নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের আরও ছয়টি দেশে ৫০ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছেন। সবমিলিয়ে ১৯৩ জন ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থী এবারের ইন্টার্নশিপে অংশ নিচ্ছেন।
জানা যায়, দেশের বাইরে ৫০ জন শিক্ষার্থী সুযোগ পেয়েছে, যার মধ্যে থাইল্যান্ডে ৩৩, মালয়েশিয়া ১০, জাপান ২, ইন্দোনেশিয়া ৩, জার্মানি ১ ও নেপাল ১ জন ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছে। এ ছাড়া, বাংলাদেশের ১৫টি স্থানে এই ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ইন্টার্নশিপ উপলক্ষ্যে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়।
ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাকৃবির কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো আবদুল মজিদ, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের অ্যাগ্রোভেট ও ক্রপ কেয়ার ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার জয়ন্ত দত্ত গুপ্ত। এ ছাড়া, ভেটেরিনারি অনুষদের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, তোমরা যেখানেই যাও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবে। একসময় মাঠপর্যায়ের কাজ বা ইন্টার্নশিপের তেমন সুযোগও ছিল না। কিন্তু আজ তোমরা সেই সুযোগ পেয়েছো। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও ইন্টার্নশিপের সুযোগ তোমাদের সামনে উন্মুক্ত হয়েছে। এই সুযোগটি কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। এর পেছনে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরলস পরিশ্রম, শিক্ষকদের ত্যাগ এবং দেশের মানুষের করের টাকায় গড়ে ওঠা এক বিশাল বিনিয়োগ। তাই এই সুযোগের যথাযথ মূল্যায়ন করো।

তিনি আরও বলেন, তোমাদের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি কাজ যেন শেখার, অবদান রাখার এবং দেশের জন্য কিছু করার হয়ে ওঠে। এই ইন্টার্নশিপ তোমাদের পেশাগত জীবনের ভিত্তি গড়ে দেবে। তাই একে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, দায়িত্ব ও গৌরবের অংশ হিসেবে গ্রহণ করো। তাহলে ভবিষ্যতে উজ্জ্বল সম্ভাবনা অপেক্ষা করছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা ও ইতিবাচক পরিবর্তন স্পষ্ট, স্থানীয় সরকার সচিব

০৮:৫৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

 

 

ঢাকা বিভাগীয় প্রতিনিধি,

 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী বলেছেন, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন একটি ইতিবাচক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। বর্তমানে বলা হয়ে থাকে- পরিবর্তনই হলো একমাত্র নতুন দিনের প্রত্যাশা।
তিনি বলেন, নেতৃত্ব, প্রযুক্তি ও অন্যান্য বিষয়ে জ্ঞান অর্জন এখন অত্যন্ত জরুরি। তরুণরা দেশকে নিয়ে কী ভাবছে, কীভাবে তারা পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বকে এগিয়ে নিতে চায় সেই ভাবনাগুলো প্রকাশের সুযোগ করে দিতেই আমরা দেশব্যাপী এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তরুণদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতেই এই আয়োজন, যা ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের জন্য উপকারী হবে। আজকের প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা যেভাবে তাদের ধারণা উপস্থাপন করেছে,বিগত দিনের তুলনায় অনেক উন্নত।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘জাতীয় নীতি প্রতিযোগিতা ২০২৫’-এর বাকৃবি পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টিম ‘আইডিআরওএফ’। ফার্স্ট রানার আপ হয়েছে টিম ‘ডেল্টা ২১০০’ এবং সেকেন্ড রানার আপ হয়েছে টিম ‘বিএইউ-নোভা’। বিজয়ীদের হাতে মেডেল, সম্মাননা স্মারক ও নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
‘যুব উৎসব ২০২৫’-এর অংশ হিসেবে এবং ‘জুলাই আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকী’ উপলক্ষে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এতে তরুণ শিক্ষার্থীরা নীতিনির্ধারণ, উন্নয়ন ও নেতৃত্ব বিষয়ক চিন্তাভাবনা ও প্রস্তাবিত নীতিপত্র উপস্থাপন করেন। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত বিষয়বস্তু ছিল- কৃষি, নদী ও উন্নয়নের গতিপথ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এবং ফিশারিজ বায়োলজি ও জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
সমাপনী পর্বে নির্বাচিত পাঁচটি দল তাদের নীতিপত্র উপস্থাপন করে, যার মধ্যে তিনটি দলকে সেরা হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। এর আগে প্রতিযোগিতার প্রথম ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২টি অংশগ্রহণকারী দলের মধ্য থেকে ৯টি দল বাছাই করা হয়। পরবর্তী ধাপে ওই ৯টি দলের মধ্যে থেকে ৫টি দল সমাপনী পর্বে অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রায় ২২টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। তরুণদের এই প্রচেষ্টাকে আমি সবসময় শ্রদ্ধা জানাই এবং তাদের আরও উৎসাহিত করতে চাই। আমি সবসময় চেষ্টা করি যাতে তারা সুযোগ পায় এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের ২২তম ইন্টার্নশিপ ব্যাচের ইন্টার্নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের আরও ছয়টি দেশে ৫০ জন শিক্ষার্থী ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছেন। সবমিলিয়ে ১৯৩ জন ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থী এবারের ইন্টার্নশিপে অংশ নিচ্ছেন।
জানা যায়, দেশের বাইরে ৫০ জন শিক্ষার্থী সুযোগ পেয়েছে, যার মধ্যে থাইল্যান্ডে ৩৩, মালয়েশিয়া ১০, জাপান ২, ইন্দোনেশিয়া ৩, জার্মানি ১ ও নেপাল ১ জন ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছে। এ ছাড়া, বাংলাদেশের ১৫টি স্থানে এই ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ইন্টার্নশিপ উপলক্ষ্যে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) দুপুর ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়।
ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাকৃবির কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো আবদুল মজিদ, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের অ্যাগ্রোভেট ও ক্রপ কেয়ার ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার জয়ন্ত দত্ত গুপ্ত। এ ছাড়া, ভেটেরিনারি অনুষদের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্নশিপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, তোমরা যেখানেই যাও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবে। একসময় মাঠপর্যায়ের কাজ বা ইন্টার্নশিপের তেমন সুযোগও ছিল না। কিন্তু আজ তোমরা সেই সুযোগ পেয়েছো। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও ইন্টার্নশিপের সুযোগ তোমাদের সামনে উন্মুক্ত হয়েছে। এই সুযোগটি কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। এর পেছনে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরলস পরিশ্রম, শিক্ষকদের ত্যাগ এবং দেশের মানুষের করের টাকায় গড়ে ওঠা এক বিশাল বিনিয়োগ। তাই এই সুযোগের যথাযথ মূল্যায়ন করো।

তিনি আরও বলেন, তোমাদের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি কাজ যেন শেখার, অবদান রাখার এবং দেশের জন্য কিছু করার হয়ে ওঠে। এই ইন্টার্নশিপ তোমাদের পেশাগত জীবনের ভিত্তি গড়ে দেবে। তাই একে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, দায়িত্ব ও গৌরবের অংশ হিসেবে গ্রহণ করো। তাহলে ভবিষ্যতে উজ্জ্বল সম্ভাবনা অপেক্ষা করছে।