ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

যুবলীগ নেতা রহিম বাহিনীর তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাছিরনগরে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক।

প্রতিনিধির নাম
  • ০১:২০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • / 2

বিশেষ প্রতিনিধি,

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাছিরনগর উপজেলায় বাড়িতে হামলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে যুবলীগ নেতা রহিমের অনুসারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ১৭/০৩/২০২৬ তারিখ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ গোলনগর ইউনিয়ন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ইফতারের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দফায় দফায় চলা এ সংঘর্ষে প্রায় ৫০০ জনের বেশি লোক অংশ নেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, যুবলীগের নেতা রহিম, যিনি একটি বোমা বিস্ফোরক মামলার ৭০ নম্বর আসামি হিসেবে পরিচিত, তার দলবল নিয়ে ফরহাদ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালাতে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে রহিম ও তার অনুসারীরা স্থানীয়দের ওপর হামলা চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে স্থানীয়দের সঙ্গে হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই যুবলীগ নেতা এলাকায় এসে বিভিন্ন নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে হামলা চালাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ফরহাদের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

যুবলীগ নেতা রহিম বাহিনীর তাণ্ডবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাছিরনগরে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক।

০১:২০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি,

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাছিরনগর উপজেলায় বাড়িতে হামলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের সঙ্গে যুবলীগ নেতা রহিমের অনুসারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ১৭/০৩/২০২৬ তারিখ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ গোলনগর ইউনিয়ন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ইফতারের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দফায় দফায় চলা এ সংঘর্ষে প্রায় ৫০০ জনের বেশি লোক অংশ নেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, যুবলীগের নেতা রহিম, যিনি একটি বোমা বিস্ফোরক মামলার ৭০ নম্বর আসামি হিসেবে পরিচিত, তার দলবল নিয়ে ফরহাদ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে হামলা চালাতে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এক পর্যায়ে রহিম ও তার অনুসারীরা স্থানীয়দের ওপর হামলা চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে স্থানীয়দের সঙ্গে হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং ব্যাপক সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষে অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওই যুবলীগ নেতা এলাকায় এসে বিভিন্ন নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে হামলা চালাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ফরহাদের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।