ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

পাহাড়ে ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী আস্তানা গুড়িয়ে দিলো সেনাবাহিনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বসানো হলো সেনা ক্যাম্প

প্রতিনিধির নাম
  • ১২:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1

আহমদ বিলাল খান,রিপোর্টার

 

রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর গোপন ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে।মঙ্গলবার গভীর রাতে রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার কলমপতি ইউনিয়নের কলাপাড়া–নাইল্লাছড়ি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট সদস্যরা পাহাড়ের গভীরে সরে যায়।সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, অভিযানে— ৪টি সুরক্ষিত রাইফেল ট্রেঞ্চ, ৩টি পাহাড়ি নজরদারি চৌকি এবং ৩টি গোপন বিশ্রামকেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে।সূত্র জানায়, এসব স্থাপনা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসী তৎপরতা, নজরদারি ও নাশকতার প্রস্তুতি চলছিল।

অভিযান শেষে পুরো এলাকা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং সেখানে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় টহল ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার রয়েছে।সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পাহাড়ি এলাকায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

পাহাড়ে ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী আস্তানা গুড়িয়ে দিলো সেনাবাহিনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বসানো হলো সেনা ক্যাম্প

১২:৩৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আহমদ বিলাল খান,রিপোর্টার

 

রাঙামাটির দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর গোপন ঘাঁটি ধ্বংস করা হয়েছে।মঙ্গলবার গভীর রাতে রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার কলমপতি ইউনিয়নের কলাপাড়া–নাইল্লাছড়ি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সংশ্লিষ্ট সদস্যরা পাহাড়ের গভীরে সরে যায়।সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, অভিযানে— ৪টি সুরক্ষিত রাইফেল ট্রেঞ্চ, ৩টি পাহাড়ি নজরদারি চৌকি এবং ৩টি গোপন বিশ্রামকেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে।সূত্র জানায়, এসব স্থাপনা ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসী তৎপরতা, নজরদারি ও নাশকতার প্রস্তুতি চলছিল।

অভিযান শেষে পুরো এলাকা ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় এবং সেখানে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় টহল ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার রয়েছে।সেনাবাহিনী জানিয়েছে, পাহাড়ি এলাকায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।