ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

শিবগঞ্জে পৌষের দাপট কুয়াশার চাদরে বন্দি জনজীবন,বিপাকে নিম্নবিত্ত

প্রতিনিধির নাম
  • ১০:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 2

মোঃতৌহিদ হাসান বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

 

ক্যালেন্ডারের পাতায় পৌষের শুরু হতে না হতেই বগুড়ার শিবগঞ্জে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। গত শনিবার থেকে উপজেলাজুড়ে শুরু হওয়া ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে সূর্যি মামার দেখা না মেলায় দিনের বেলাতেও কাটছে না শীতের প্রকোপ।
কুয়াশার মায়া ও যাতায়াতের ভোগান্তি
শনিবার সকাল থেকেই শিবগঞ্জ যেন এক সাদা চাদরে ঢাকা জনপদ। দৃষ্টিসীমা এতটাই কমে এসেছে যে, মহাসড়ক থেকে শুরু করে গ্রামীণ রাস্তা—সবখানেই দুপুর পর্যন্ত হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। চালকরা বলছেন, ঘন কুয়াশায় সামনের পথ দেখা কঠিন হয়ে পড়ায় দুর্ঘটনার আতঙ্ক নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে তাদের।
এই হাড়কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন শিবগঞ্জের দিনমজুর ও রিকশা-ভ্যানচালকরা। কনকনে ঠান্ডায় অনেকেই কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। শীতবস্ত্রের অভাবে কাজে বের হওয়াটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
হিমেল হাওয়ার মাঝে ফসলের মাঠে কাজ করা হয়ে দাঁড়িয়েছে অসাধ্য। কাজ না থাকায় অভাবের কালো মেঘ জমেছে খেটে খাওয়া মানুষদের পরিবারে।

তাপমাত্রা দ্রুত না কমলে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এই অবস্থায় শুধু সরকারি সহায়তা নয়, বরং সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদেরও শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কনকনে ঠান্ডা আর কুয়াশায় শিবগঞ্জের জনজীবন আজ দিশেহারা। শীত কেবল আবহাওয়া নয়, নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এখন এক বড় জীবনযুদ্ধ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শিবগঞ্জে পৌষের দাপট কুয়াশার চাদরে বন্দি জনজীবন,বিপাকে নিম্নবিত্ত

১০:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

মোঃতৌহিদ হাসান বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

 

ক্যালেন্ডারের পাতায় পৌষের শুরু হতে না হতেই বগুড়ার শিবগঞ্জে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। গত শনিবার থেকে উপজেলাজুড়ে শুরু হওয়া ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিশেষ করে সূর্যি মামার দেখা না মেলায় দিনের বেলাতেও কাটছে না শীতের প্রকোপ।
কুয়াশার মায়া ও যাতায়াতের ভোগান্তি
শনিবার সকাল থেকেই শিবগঞ্জ যেন এক সাদা চাদরে ঢাকা জনপদ। দৃষ্টিসীমা এতটাই কমে এসেছে যে, মহাসড়ক থেকে শুরু করে গ্রামীণ রাস্তা—সবখানেই দুপুর পর্যন্ত হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। চালকরা বলছেন, ঘন কুয়াশায় সামনের পথ দেখা কঠিন হয়ে পড়ায় দুর্ঘটনার আতঙ্ক নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে তাদের।
এই হাড়কাঁপানো শীতে সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছেন শিবগঞ্জের দিনমজুর ও রিকশা-ভ্যানচালকরা। কনকনে ঠান্ডায় অনেকেই কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। শীতবস্ত্রের অভাবে কাজে বের হওয়াটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
হিমেল হাওয়ার মাঝে ফসলের মাঠে কাজ করা হয়ে দাঁড়িয়েছে অসাধ্য। কাজ না থাকায় অভাবের কালো মেঘ জমেছে খেটে খাওয়া মানুষদের পরিবারে।

তাপমাত্রা দ্রুত না কমলে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। এই অবস্থায় শুধু সরকারি সহায়তা নয়, বরং সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদেরও শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কনকনে ঠান্ডা আর কুয়াশায় শিবগঞ্জের জনজীবন আজ দিশেহারা। শীত কেবল আবহাওয়া নয়, নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে এখন এক বড় জীবনযুদ্ধ।