ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে তিস্তার বন্যায় দিশেহারা হয়ে পড়া ৭৬পরিবারের মুখে অবশেষে ফুটেছে স্বস্তির হাসি

প্রতিনিধির নাম
  • ১২:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 2

মোঃ ইউসুফ খাঁন রংপুর সংবাদদাতা

 

বৃহস্পতিবার ৯ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চর গতিয়াশাম এলাকায় ভাঙন সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭৬ টি পরিবারের হাতে ত্রাণ ও নগদ সহায়তা তুলে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল, লবণ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী এবং প্রতিটি পরিবারকে নগদ এক হাজার ৫০০ করে টাকা দেওয়া হয়। সম্প্রতি তিস্তার ভাঙনে কয়েকটি পরিবার বসতভিটা, আবাদি জমি ও সম্পদ হারিয়ে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি সেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ত্রাণ বিতরণ কালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আল ইমরান বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সবসময় থাকবে প্রশাসন। পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে,প্রয়োজনে আরও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম বলেন,তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের কাজ চলমান। পাশাপাশি মাদক,নারী নির্যাতন,জুয়া ও সামাজিক অপরাধ দমনে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. গোলাম রসুল রাখি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক
আনিছুর রহমান লিটনসহ স্থানীয়
জন প্রতিনিধিরা।

ত্রাণ সহায়তা হাতে পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলো উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নে তিস্তার বন্যায় দিশেহারা হয়ে পড়া ৭৬পরিবারের মুখে অবশেষে ফুটেছে স্বস্তির হাসি

১২:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫

মোঃ ইউসুফ খাঁন রংপুর সংবাদদাতা

 

বৃহস্পতিবার ৯ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের চর গতিয়াশাম এলাকায় ভাঙন সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৭৬ টি পরিবারের হাতে ত্রাণ ও নগদ সহায়তা তুলে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল, লবণ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী এবং প্রতিটি পরিবারকে নগদ এক হাজার ৫০০ করে টাকা দেওয়া হয়। সম্প্রতি তিস্তার ভাঙনে কয়েকটি পরিবার বসতভিটা, আবাদি জমি ও সম্পদ হারিয়ে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি সেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ত্রাণ বিতরণ কালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আল ইমরান বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সবসময় থাকবে প্রশাসন। পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে,প্রয়োজনে আরও সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল আলম বলেন,তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের কাজ চলমান। পাশাপাশি মাদক,নারী নির্যাতন,জুয়া ও সামাজিক অপরাধ দমনে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. গোলাম রসুল রাখি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, আইসিটি কর্মকর্তা রেজাউল করিম ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক
আনিছুর রহমান লিটনসহ স্থানীয়
জন প্রতিনিধিরা।

ত্রাণ সহায়তা হাতে পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলো উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।