ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর,মৃত্যুর ঘটনায় শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন সাফা গ্রুপের চেয়ারম্যান সোবাহান

প্রতিনিধির নাম
  • ০৮:২৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 1

রংপুর ব্যুরো প্রধান,মোঃ ইউসুফ খাঁন

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে উলিপুর উপজেলা কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। কুড়িগ্রাম উলিপুর উপজেলার নাওডাঙ্গা গ্রামের ফুলবাবু দাস-নার্স ও চিকিৎসকের অবহেলায় মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে প্রতি দাঁড়ালেন সাফা গ্রুপের চেয়াম্যান ও দৈনিক বায়ান্নর আলোর প্রকাশক আব্দুস সোবহান শোকাহত পরিবারকে ২ বানডিল ঢেউটিন সাহায্য করেন।

রাতে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় পুরুষ ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। রোগীর নাম ফুলবাবু দাস। তিনি উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণী ইউনিয়নের পূর্ব নাওড়া গ্রামের সুখচরণ দাসের ছেলে।

স্বজনদের দাবি, ফুলবাবুর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে দ্রুত কুড়িগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ভর্তি করে তাকে ষষ্ঠ তলায় নেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় চিকিৎসক ও সেবিকা দেখতে আসেননি। ততক্ষণে মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। রাত রোগী মারা যান।মা বকুল রানী দাস বলেন, আমার ছেলে মারা যাওয়ার সময় চিকিৎসক ও সেবিকাকে পাইনি। যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় ফুলবাবু মারা গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে ২৫ জুলাই চিকিৎসকের অবহেলায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের মিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা জামাল বাদশাহ নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স কোহিনুর খাতুন বলেন, আমরা একটি সেকেন্ডের জন্য বসে নেই। এখানে শত শত রোগী। সে সময় একসঙ্গে সাত রোগী আসায় রিসিপশন ভরা ছিল। দায়িত্বে আমাদের কোনো অবহেলা ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শহিদুল্লাহ লিংকন চিকিৎসকের অবহেলার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি শোনার পর আমি সকালে তদন্ত করেছি। সে সময় রোগীর চাপ ছিল খুব। যিনি মারা গেছেন তার শরীরে প্রচুর জ্বর ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তাকে রেফার্ড করা হলেও তারা অন্যত্র যাননি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর,মৃত্যুর ঘটনায় শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন সাফা গ্রুপের চেয়ারম্যান সোবাহান

০৮:২৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

রংপুর ব্যুরো প্রধান,মোঃ ইউসুফ খাঁন

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে উলিপুর উপজেলা কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। কুড়িগ্রাম উলিপুর উপজেলার নাওডাঙ্গা গ্রামের ফুলবাবু দাস-নার্স ও চিকিৎসকের অবহেলায় মৃত্যুর ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে প্রতি দাঁড়ালেন সাফা গ্রুপের চেয়াম্যান ও দৈনিক বায়ান্নর আলোর প্রকাশক আব্দুস সোবহান শোকাহত পরিবারকে ২ বানডিল ঢেউটিন সাহায্য করেন।

রাতে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় পুরুষ ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। রোগীর নাম ফুলবাবু দাস। তিনি উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণী ইউনিয়নের পূর্ব নাওড়া গ্রামের সুখচরণ দাসের ছেলে।

স্বজনদের দাবি, ফুলবাবুর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে দ্রুত কুড়িগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ভর্তি করে তাকে ষষ্ঠ তলায় নেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় চিকিৎসক ও সেবিকা দেখতে আসেননি। ততক্ষণে মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। রাত রোগী মারা যান।মা বকুল রানী দাস বলেন, আমার ছেলে মারা যাওয়ার সময় চিকিৎসক ও সেবিকাকে পাইনি। যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় ফুলবাবু মারা গেছে বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে ২৫ জুলাই চিকিৎসকের অবহেলায় কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের মিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা জামাল বাদশাহ নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স কোহিনুর খাতুন বলেন, আমরা একটি সেকেন্ডের জন্য বসে নেই। এখানে শত শত রোগী। সে সময় একসঙ্গে সাত রোগী আসায় রিসিপশন ভরা ছিল। দায়িত্বে আমাদের কোনো অবহেলা ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শহিদুল্লাহ লিংকন চিকিৎসকের অবহেলার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি শোনার পর আমি সকালে তদন্ত করেছি। সে সময় রোগীর চাপ ছিল খুব। যিনি মারা গেছেন তার শরীরে প্রচুর জ্বর ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তাকে রেফার্ড করা হলেও তারা অন্যত্র যাননি।