ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

সারিয়াকান্দি কুতুবপুর ইউনিয়নে ভি.ডব্লিউ.বি কার্ড নিয়ে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • ০৩:১১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • / 1

মনিরুজ্জামান  জাহিদ বিশেষ ( বগুড়া) প্রতিনিধি

 

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ৮নং কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভি.ডব্লিউ.বি কার্ড বিতরণে ব্যাপক দুর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সুজন এবং ৪নং ওয়ার্ড  ইউপি সদস্য মোঃ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোছাঃ জ্যোৎস্না বেগম (৩৫) থেকে ভি.ডব্লিউ.বি কার্ড প্রদানের নামে ৫,০০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সুজন।

অন্যদিকে, ৪নং ওয়ার্ডের রেণু বেগম (৫০) থেকে একইভাবে ৫ হাজার টাকা এবং পরবর্তীতে চাল বিতরণের সময় আরও ১হাজার টাকা নেন ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম। এছাড়া, একই ওয়ার্ডের ধলির কান্দি গ্রামের মোছাঃ জেমি আক্তার (৩০) এর নিকট থেকে ১ হাজার মোট ৭হাজর টাকা নেন ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম।

ভুক্তভোগী রেণু বেগম জানান, তার স্বামী  অসুস্থ  হয়ে মৃত্যুশয্যায় রয়েছেন। সে কারণে বারবার অনুরোধ করেও ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলামের ঘুষ দাবি থেকে মুক্তি পাননি, বরং তাকে গালিগালাজ করে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হয়।চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি এবং মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রিআপনারা যা করার করেন, যদি আমার সদস্য পদ না থাকে, তাতেও আমার কোনো আপত্তি নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা পারভিন নাহারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “এক ঘণ্টা সময় দিন।” তবে পরে তার সঙ্গে আর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সারিয়াকান্দি কুতুবপুর ইউনিয়নে ভি.ডব্লিউ.বি কার্ড নিয়ে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ

০৩:১১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫

মনিরুজ্জামান  জাহিদ বিশেষ ( বগুড়া) প্রতিনিধি

 

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ৮নং কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভি.ডব্লিউ.বি কার্ড বিতরণে ব্যাপক দুর্নীতি ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সুজন এবং ৪নং ওয়ার্ড  ইউপি সদস্য মোঃ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোছাঃ জ্যোৎস্না বেগম (৩৫) থেকে ভি.ডব্লিউ.বি কার্ড প্রদানের নামে ৫,০০০ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সুজন।

অন্যদিকে, ৪নং ওয়ার্ডের রেণু বেগম (৫০) থেকে একইভাবে ৫ হাজার টাকা এবং পরবর্তীতে চাল বিতরণের সময় আরও ১হাজার টাকা নেন ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম। এছাড়া, একই ওয়ার্ডের ধলির কান্দি গ্রামের মোছাঃ জেমি আক্তার (৩০) এর নিকট থেকে ১ হাজার মোট ৭হাজর টাকা নেন ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম।

ভুক্তভোগী রেণু বেগম জানান, তার স্বামী  অসুস্থ  হয়ে মৃত্যুশয্যায় রয়েছেন। সে কারণে বারবার অনুরোধ করেও ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলামের ঘুষ দাবি থেকে মুক্তি পাননি, বরং তাকে গালিগালাজ করে জোরপূর্বক টাকা আদায় করা হয়।চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে আরও বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি এবং মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য জহুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রিআপনারা যা করার করেন, যদি আমার সদস্য পদ না থাকে, তাতেও আমার কোনো আপত্তি নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা লায়লা পারভিন নাহারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “এক ঘণ্টা সময় দিন।” তবে পরে তার সঙ্গে আর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।