ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর সীমাহীন দুর্নীতি

প্রতিনিধির নাম
  • ০১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 1

ঢাকা বিভাগীয় প্রতিনিধি

 

ঘুষের টাকা না দেওয়ায় অতিরিক্ত বিল প্রদান করে চলেছে ,ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর কর্তৃপক্ষের যোগসাজসে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিলিং সহকারী রাজস্ব জোন ১০। ভুক্তভোগী ভাসানটেক এলাকায় মাস্টার প্লাজা ১৫৯/এ ঘটনার সূত্র পাত। আরো জানা গেছে ভাসান টেক এলাকায় দীর্ঘদিন পানির সমস্যা বিরাজ করছে। এলাকার মানুষ এই গ্রীষ্ম কালীন সময়ে ওয়াসার পানি থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের বিশেষ এজেন্ট ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর কর্তৃপক্ষের যোগ সাজোশে সাবমারচিবল পাম্প স্থাপনে বিশেষ ভাবে উৎসাহিত করে এলাকায় প্রতিটি মালিকদের নিকট থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে ভুক্ত ভোগী আব্দুর রৌফ গং সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনে আগ্রহী হয়। বৈধ কাগজ পত্রের মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী ওয়াসার অনুমতির পর ৪/১১/২০২৪ ইং তারিখ দুই ইঞ্চি গভীর নল কূপ স্থাপন করে। পরবর্তীতে ১০০ ভাগ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করে। গভীর নলকূপের কাজ শুরুতে ই ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর বিলিং সহকারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভুক্তভোগীদের নিকট মোটা অংকের টাকা দাবি করে।

 

টাকা দিতে অস্বীকার করলে ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন হুঁমকি প্রদান করে এই মর্মে যে সাবমারচিবোলের পাম্প খুলে নেয়া হবে লাইন বন্ধ করে দেয়া হবে। যথারীতি ২৩/০৩/২০২৫ ইং তারিখ টানা মোটর খুলে নিয়ে যায়। যাহা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে প্রতীয়মান হয়। এবং মিটারের রিডিং ছাড়া স্টিমিট বিল প্রদান শুরু করে। প্রতি মাসে বিপুল অংকের টাকার বিল প্রদান অব্যাহত রাখে। কিন্তু ১৪/১১/২০২৪ইং তারিখ সংযোগ বন্ধ করার আবেদন করলেও উদেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ওয়াসার লাইন বন্ধ করেনি। ডিমান্ড নোটের টাকা জমা দেওয়া সত্ত্বেও তিন দিনের মধ্যে সাবমারচিবালের মিটার স্থাপন করেনি। তারা মিটার স্থাপনে গড়িমসি করে। অথচ ওয়াসার লাইন বন্ধ না করে বিল করতে থাকে। উপায়ন্তর না পেয়ে প্রায় চার মাস পর ২/২/২০২৫ তারিখ গভীর নলকূপের মিটারস্থাপন করে। ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর নিকট ওয়াসার লাইন কর্তনের আবেদন করা হলেও ওয়াসা কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ উদাসীন। টাকা না দিলে তারা লাইন কর্তন করবেন বলে জানান। ওয়াসার পানি ভোগ না করা সত্ত্বেও প্রতি মাসে ২০/২৫ হাজার টাকার বিল করে যাচ্ছে। অথচ সাবমারচিবালের মিটারের বিল জারি করছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তর এর দৃষ্টি আকর্ষণ ও সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করছি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর সীমাহীন দুর্নীতি

০১:০০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

ঢাকা বিভাগীয় প্রতিনিধি

 

ঘুষের টাকা না দেওয়ায় অতিরিক্ত বিল প্রদান করে চলেছে ,ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর কর্তৃপক্ষের যোগসাজসে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিলিং সহকারী রাজস্ব জোন ১০। ভুক্তভোগী ভাসানটেক এলাকায় মাস্টার প্লাজা ১৫৯/এ ঘটনার সূত্র পাত। আরো জানা গেছে ভাসান টেক এলাকায় দীর্ঘদিন পানির সমস্যা বিরাজ করছে। এলাকার মানুষ এই গ্রীষ্ম কালীন সময়ে ওয়াসার পানি থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ওয়াসা কর্তৃপক্ষের বিশেষ এজেন্ট ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর কর্তৃপক্ষের যোগ সাজোশে সাবমারচিবল পাম্প স্থাপনে বিশেষ ভাবে উৎসাহিত করে এলাকায় প্রতিটি মালিকদের নিকট থেকে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে ভুক্ত ভোগী আব্দুর রৌফ গং সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনে আগ্রহী হয়। বৈধ কাগজ পত্রের মাধ্যমে নিয়ম অনুযায়ী ওয়াসার অনুমতির পর ৪/১১/২০২৪ ইং তারিখ দুই ইঞ্চি গভীর নল কূপ স্থাপন করে। পরবর্তীতে ১০০ ভাগ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করে। গভীর নলকূপের কাজ শুরুতে ই ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর বিলিং সহকারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভুক্তভোগীদের নিকট মোটা অংকের টাকা দাবি করে।

 

টাকা দিতে অস্বীকার করলে ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন হুঁমকি প্রদান করে এই মর্মে যে সাবমারচিবোলের পাম্প খুলে নেয়া হবে লাইন বন্ধ করে দেয়া হবে। যথারীতি ২৩/০৩/২০২৫ ইং তারিখ টানা মোটর খুলে নিয়ে যায়। যাহা সম্পূর্ণ বেআইনি বলে প্রতীয়মান হয়। এবং মিটারের রিডিং ছাড়া স্টিমিট বিল প্রদান শুরু করে। প্রতি মাসে বিপুল অংকের টাকার বিল প্রদান অব্যাহত রাখে। কিন্তু ১৪/১১/২০২৪ইং তারিখ সংযোগ বন্ধ করার আবেদন করলেও উদেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ওয়াসার লাইন বন্ধ করেনি। ডিমান্ড নোটের টাকা জমা দেওয়া সত্ত্বেও তিন দিনের মধ্যে সাবমারচিবালের মিটার স্থাপন করেনি। তারা মিটার স্থাপনে গড়িমসি করে। অথচ ওয়াসার লাইন বন্ধ না করে বিল করতে থাকে। উপায়ন্তর না পেয়ে প্রায় চার মাস পর ২/২/২০২৫ তারিখ গভীর নলকূপের মিটারস্থাপন করে। ঢাকা ওয়াসা রাজস্ব জোন ১০ এর নিকট ওয়াসার লাইন কর্তনের আবেদন করা হলেও ওয়াসা কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ উদাসীন। টাকা না দিলে তারা লাইন কর্তন করবেন বলে জানান। ওয়াসার পানি ভোগ না করা সত্ত্বেও প্রতি মাসে ২০/২৫ হাজার টাকার বিল করে যাচ্ছে। অথচ সাবমারচিবালের মিটারের বিল জারি করছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তর এর দৃষ্টি আকর্ষণ ও সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করছি।