ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

সবাইকে কাঁদিয়ে চিরদিনের মত চলে গেলেন মোহাম্মদ মজিবুর রহমান পরিবারে নেমে এলো শোকের ছায়া

প্রতিনিধির নাম
  • ১২:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • / 1

মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 

ফতুল্লা থানা আওতাধীন এনায়েত নগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বিএনপি’র সভাপতি ছিলেন।

অর্থ ইংরেজি ৩ এপ্রিল আনুমানিক বেলা ১১ঃ০০ টার সময় তার নিজ বাসভবনের সামনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে লোকজনের সাথে কথা বলছিলেন। এমন সময় তার বুকে ব্যথা অনুভব হয় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে উনার মরদেহ এলাকায় নিয়ে এলে এক শোকের ছায়া নেমে আসে। তার মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন এবং আমাদের সাথে কথা বলেছেন তার আপন ভাতিজা মোঃ ফরিদ হোসেন।

আমি শো কত পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে গিয়ে যে দৃশ্য দেখলাম তাতে তাদের সাথে কথা বলার কোন অবকাশ নেই। বারবার উনার সহধর্মিনী অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন ছেলেরা আত্মীয়-স্বজনের যে করুন আর্তনাদ তা দেখে আমি আর কথা বলার সাহস পায়নি। পরে রাস্তায় বের হয়ে আসি এসে দেখি লোকেলোক ভরে গেছে সব মুসলিম নগর এলাকা শুধু তাকে একনজর দেখার জন্য। ব্যক্তিগতভাবে উনি অত্যন্ত সদালাপী ছিলেন যদি কারোর উপকারও করতে নাও পারতেন কারো ক্ষতি করতেন না। আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন এবং শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি ছিলেন উনি যখনই দেখা হতো তখনই হাসিমুখে কি ভাতিজা কোথায় যাচ্ছ বস চা খাও এই যে মধুর ব্যবহার এটা আমি নিজেই এখনো ভুলতে পারছিনা

মরহুমের জানাজ বাদ আসর এতিমখানা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এ যেন এক লোকের মিছিল হাজার হাজার লোক তার জানা যায় অংশগ্রহণ করেন এবং উনার জন্য পরম করুনাময় আল্লাহতায়ালার কাছে প্রার্থনা করেন আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতবাসী করেন। বিএনপির থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ ওনার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার জানাজায় উপস্থিত হয়েছেন। এবং উনার শো ক হত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। হয়তো আর উনার মত লোক আর আমরা পাব না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সবাইকে কাঁদিয়ে চিরদিনের মত চলে গেলেন মোহাম্মদ মজিবুর রহমান পরিবারে নেমে এলো শোকের ছায়া

১২:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

 

ফতুল্লা থানা আওতাধীন এনায়েত নগর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বিএনপি’র সভাপতি ছিলেন।

অর্থ ইংরেজি ৩ এপ্রিল আনুমানিক বেলা ১১ঃ০০ টার সময় তার নিজ বাসভবনের সামনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে লোকজনের সাথে কথা বলছিলেন। এমন সময় তার বুকে ব্যথা অনুভব হয় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নারায়ণগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে উনার মরদেহ এলাকায় নিয়ে এলে এক শোকের ছায়া নেমে আসে। তার মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন এবং আমাদের সাথে কথা বলেছেন তার আপন ভাতিজা মোঃ ফরিদ হোসেন।

আমি শো কত পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম কিন্তু সেখানে গিয়ে যে দৃশ্য দেখলাম তাতে তাদের সাথে কথা বলার কোন অবকাশ নেই। বারবার উনার সহধর্মিনী অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছেন ছেলেরা আত্মীয়-স্বজনের যে করুন আর্তনাদ তা দেখে আমি আর কথা বলার সাহস পায়নি। পরে রাস্তায় বের হয়ে আসি এসে দেখি লোকেলোক ভরে গেছে সব মুসলিম নগর এলাকা শুধু তাকে একনজর দেখার জন্য। ব্যক্তিগতভাবে উনি অত্যন্ত সদালাপী ছিলেন যদি কারোর উপকারও করতে নাও পারতেন কারো ক্ষতি করতেন না। আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন এবং শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি ছিলেন উনি যখনই দেখা হতো তখনই হাসিমুখে কি ভাতিজা কোথায় যাচ্ছ বস চা খাও এই যে মধুর ব্যবহার এটা আমি নিজেই এখনো ভুলতে পারছিনা

মরহুমের জানাজ বাদ আসর এতিমখানা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এ যেন এক লোকের মিছিল হাজার হাজার লোক তার জানা যায় অংশগ্রহণ করেন এবং উনার জন্য পরম করুনাময় আল্লাহতায়ালার কাছে প্রার্থনা করেন আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতবাসী করেন। বিএনপির থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ ওনার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার জানাজায় উপস্থিত হয়েছেন। এবং উনার শো ক হত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। হয়তো আর উনার মত লোক আর আমরা পাব না।