ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

তিন বোনের বিয়ে, তালাক, পরকীয়া ও বিয়ে প্রতারণা নিয়ে বগুড়ায় তোলপাড় সৃষ্টি

প্রতিনিধির নাম
  • ০৫:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 2

বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার নশরৎপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে তিন বোনের অনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এলমা খাতুন (৩০), নিলুফা ইয়াসমিন (২৬) এবং রওফা খাতুন (২৪) নামে তিন বোন একের পর এক বিয়ে করে স্বামীদের সম্পদ হাতিয়ে নেয় এবং পরে তাদের তালাক দিয়ে চলে যান।

এলমা খাতুন তিনটি বিয়ে করেছেন এবং তার স্বামীদের কাছ থেকে অর্থ ও সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রথম বিয়ে থেকে মনিকা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে, যিনি ১৩ বছর বয়সে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছেন। দ্বিতীয় বিয়ে করে তিনি নাসির খানকে তালাক দিয়েছেন, এবং বর্তমানে তৃতীয় বিয়ে করেছেন ফারুক হোসেনকে।

মেজবোন নিলুফা ইয়াসমিনও দুইটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্বামী, প্রবাসী জাকারিয়া হোসেন, তার অনেক অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর তালাক দিয়েছেন। বর্তমানে তার দ্বিতীয় স্বামী আবু রায়হান।

তৃতীয় বোন রওফা খাতুন, যিনি সম্প্রতি তার স্বামীকে তালাক দিয়েছেন, স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর তার বাবা-মায়ের সাহায্যে একাধিক অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করেছেন। তিনি খায়ের নামে এক ছেলের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এছাড়া রওফা গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে তার শাশুড়ির স্বর্ণালংকার চুরি করার অভিযোগে স্থানীয় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন।

এলাকার সমাজপতিরা তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে এই পরিবারের সদস্যদের একঘরে করেছিলেন, তবে তাদের অপরাধ বন্ধ হয়নি বরং আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এলমা, নিলুফা ও রওফা, তিন বোনই বাবা-মায়ের সহায়তায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেম করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, যার ফলে এলাকায় নৈতিক ও চারিত্রিক অবক্ষয়ের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার জনগণের দাবী, এই তিন বোন এবং তাদের পরিবার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হোক, যাতে এলাকার সামাজিক শান্তি বজায় থাকে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

তিন বোনের বিয়ে, তালাক, পরকীয়া ও বিয়ে প্রতারণা নিয়ে বগুড়ায় তোলপাড় সৃষ্টি

০৫:৫৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার নশরৎপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে তিন বোনের অনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এলমা খাতুন (৩০), নিলুফা ইয়াসমিন (২৬) এবং রওফা খাতুন (২৪) নামে তিন বোন একের পর এক বিয়ে করে স্বামীদের সম্পদ হাতিয়ে নেয় এবং পরে তাদের তালাক দিয়ে চলে যান।

এলমা খাতুন তিনটি বিয়ে করেছেন এবং তার স্বামীদের কাছ থেকে অর্থ ও সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রথম বিয়ে থেকে মনিকা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে, যিনি ১৩ বছর বয়সে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছেন। দ্বিতীয় বিয়ে করে তিনি নাসির খানকে তালাক দিয়েছেন, এবং বর্তমানে তৃতীয় বিয়ে করেছেন ফারুক হোসেনকে।

মেজবোন নিলুফা ইয়াসমিনও দুইটি বিয়ে করেছেন। প্রথম স্বামী, প্রবাসী জাকারিয়া হোসেন, তার অনেক অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর তালাক দিয়েছেন। বর্তমানে তার দ্বিতীয় স্বামী আবু রায়হান।

তৃতীয় বোন রওফা খাতুন, যিনি সম্প্রতি তার স্বামীকে তালাক দিয়েছেন, স্বামীকে তালাক দেওয়ার পর তার বাবা-মায়ের সাহায্যে একাধিক অবৈধ সম্পর্ক তৈরি করেছেন। তিনি খায়ের নামে এক ছেলের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এছাড়া রওফা গত ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে তার শাশুড়ির স্বর্ণালংকার চুরি করার অভিযোগে স্থানীয় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন।

এলাকার সমাজপতিরা তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে এই পরিবারের সদস্যদের একঘরে করেছিলেন, তবে তাদের অপরাধ বন্ধ হয়নি বরং আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এলমা, নিলুফা ও রওফা, তিন বোনই বাবা-মায়ের সহায়তায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রেম করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন, যার ফলে এলাকায় নৈতিক ও চারিত্রিক অবক্ষয়ের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

এলাকার জনগণের দাবী, এই তিন বোন এবং তাদের পরিবার বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হোক, যাতে এলাকার সামাজিক শান্তি বজায় থাকে।