ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের জনজীবন

প্রতিনিধির নাম
  • ১০:২৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 2

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা মোঃ ইউসুফ খাঁন

 

 

কনকনে ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষজন। গত ২৪ ঘন্টায় তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের তীব্রতা। কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাসে শীতকষ্টে পড়েছে মানুষ

গত দুদিন ধরে দেখা মিলছে না দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সূর্য অতিষ্ঠ হয়ে গেছে
এলাকা বাসী।
রবিবার (৫-জানুয়ারি) সন্ধ্যের পর থেকে সমবার ১১ টা পর্যন্ত সূর্য।
৯ টি উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। রবিবার তাপমাত্রা ছিলো ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কনেকনে ঠান্ডায় শীত কষ্টে পড়েছে হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের শ্রমজীবি মানুষেরা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

দিনের বেলা সূর্যের উত্তাপ না থাকায় হিমেল বাতাসে কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে চিন্নমুল, দিনমজুরসহ শ্রমজীবী মানুষ। প্রতিবছরের চেয়ে এবার শীত
মৌসুমে শীত বেশী অনুভূত হচ্ছে। এই জেলা গুলো উপর দিয়ে শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই অঞ্চলের শীতের তীব্রতায় জর্জরিত শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধারা ও ভুগছে শীতের কারনে দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের ঠান্ডায় ঠিকমতো কাজ না মিলাই পরিবারের খাবারের যোগান দিতে রিমঝিম খাচ্ছেন অনেকেই।

এভাবে শীতের আবহাওয়া থাকিলে কৃষকেরা ক্ষেত খামারে কিভাবে কাজ করবে। ঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনা এড়াতে হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।

এদিকে শীত নিবারনে জেলার ৯ উপজেলায় ৪৯ লাখ টাকা ও ১২ হাজার কম্বল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত কুড়িগ্রামের জনজীবন

১০:২৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৫

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা মোঃ ইউসুফ খাঁন

 

 

কনকনে ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের মানুষজন। গত ২৪ ঘন্টায় তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও কমেনি শীতের তীব্রতা। কুয়াশার সঙ্গে হিমেল বাতাসে শীতকষ্টে পড়েছে মানুষ

গত দুদিন ধরে দেখা মিলছে না দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সূর্য অতিষ্ঠ হয়ে গেছে
এলাকা বাসী।
রবিবার (৫-জানুয়ারি) সন্ধ্যের পর থেকে সমবার ১১ টা পর্যন্ত সূর্য।
৯ টি উপজেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। রবিবার তাপমাত্রা ছিলো ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

কনেকনে ঠান্ডায় শীত কষ্টে পড়েছে হতদরিদ্র, ছিন্নমূল ও স্বল্প আয়ের শ্রমজীবি মানুষেরা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না সাধারণ মানুষ।

দিনের বেলা সূর্যের উত্তাপ না থাকায় হিমেল বাতাসে কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে পড়েছে চিন্নমুল, দিনমজুরসহ শ্রমজীবী মানুষ। প্রতিবছরের চেয়ে এবার শীত
মৌসুমে শীত বেশী অনুভূত হচ্ছে। এই জেলা গুলো উপর দিয়ে শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই অঞ্চলের শীতের তীব্রতায় জর্জরিত শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধারা ও ভুগছে শীতের কারনে দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের ঠান্ডায় ঠিকমতো কাজ না মিলাই পরিবারের খাবারের যোগান দিতে রিমঝিম খাচ্ছেন অনেকেই।

এভাবে শীতের আবহাওয়া থাকিলে কৃষকেরা ক্ষেত খামারে কিভাবে কাজ করবে। ঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনা এড়াতে হেড লাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।

এদিকে শীত নিবারনে জেলার ৯ উপজেলায় ৪৯ লাখ টাকা ও ১২ হাজার কম্বল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।