লোহাগড়ায় সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার মামলায় বিএনপি নেতাকে হয়রানীর অভিযোগ।
- ১১:১৫:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
- / 2
লোহাগড়ায় সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনার মামলায় বিএনপি নেতাকে হয়রানীর অভিযোগ
শরিফুজ্জামান, নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখমের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তবে মামলায় বিএনপি নেতাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী সমাজ সেবক তেলকাড়া গ্রামের মৃত মোয়াজ্জেল সিকদারের ছেলে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাককে। এছাড়া রায়পাশা গ্রামের উজির খান, রিদয় বিশ্বাস, তেলকাড়া গ্রামের তরুন খানসহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আহত সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী নাজমা আখতার গত ১৩ মে লোহাগড়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর-১০।
জানা গেছে, গত শুক্রবার (৮ মে) সন্ধ্যার পর রায়পাশা এলাকায় অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা সাবেক ইউপি সদস্য মাওলানা সিরাজুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার স্বামী দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। একই নির্বাচনে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষতার জেরে হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বিএনপি নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক ঢাকায় অবস্থান করছিলেন এবং এ সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজও সংরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, আমি আগামী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী। সেই কারণেই পরিকল্পিতভাবে আমাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। আওয়ামী লীগের কিছু লোকজনের প্ররোচনায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত চাই। প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হোক, সেটাও আমিও চাই।
এদিকে, বিএনপি নেতা মোস্তাককে মামলার আসামি করায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড, খেলাধুলার প্রসার, মসজিদ-মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে মামলায় জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
লোহাগড়া থানার ওসি মোঃ আব্দুর রহমান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দোষ কাউকে হয়রানি করা হবে না



















