ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

লোহাগড়ায় ধানের বাজারে ধস কতৃপক্ষের নাই কোন তদারকি,বিপাকে সাধারণ কৃষক

প্রতিনিধির নাম
  • ১০:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 2

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সকল হাট বাজারে ধানে মুল্য এক হাজার থেকে ১১ শ টাকা। এই মূল্য নিয়ে বিপাকে পড়েছে লোহাগড়ার সাধারণ কৃষক।

একদিকে প্রকৃতির বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে ধান, অপর দিকে জনের ( কিষেন) দাম হাজার টাকা ছাড়িয়েছে তারপর আবার এলাকার ধান ব্যাবসায়ীদের সিন্ডিকেট করে ধানের দাম কমিয়ে দেয়া। কৃষকদের এযেন মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ।

এলাকার সাধারণ কৃষক, রইচ উদ্দিন টিপু, আসাদ শেখ, শাকিল শেখ, মানিক শেখ, ফরিদ সিকদার, রফিকুল মন্ডল সহ বেশকিছু কৃষকের সাথে কথা হলে তারা বলেন আমরা শুনছি বাপু কৃষক নাকি বাংলাদেশের জান! এ কি করতিছে আমাগে সরকার মাইরে ফেলাক!! সারা বছর কষ্ট ওইরে ধানের দাম ১১শ টাহা মন। শুনছি নীল সাহেবরা জোর করে নীল চাষ করায় সঠিক মূল্য দেতো। এতো তার চেয়ে খারাপ। সামনের বছর রিকসা চালাতি যাবানি, ধান,পান আর লাগাবো নানে।

এই বিষয়ে লোহাগড়ার স্থানীয় কয়েকজন ধান ব্যাবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা বলেন সরকার বিদেশ থেকে চাউল আমদানি ও মিলাররা কম দামে ধান ক্রয় করাতে ধানের বাজারে ধস নেমেছে।

এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহার সাথে কথা হলে তিনি বলেন লোহাগড়ায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ। আর ধানের মুল্য তো সরকার নিদিষ্ট একটা দাম দিয়েছে। তবে কেন স্থানীয় ধান ব্যাবসায়ীরা এমন সিন্ডিকেট করেছে তা আমার জানা নাই। ধানের মুল্য নিয়ে ঊর্ধ্বতন মহলে কথা বলেছি।

নড়াইল জেলার ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শামীম হাসান বলেন ধান ক্রয়বিক্রয় ভোক্তা অধিকার আইনে পড়ে না। বিষয়টি কৃষি বিপনন বিভাগের আপনারা সেখানে যোগাযোগ করেন।

এই ধানের মুল্য নিয়ে উপজেলার প্রতি এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। এলাকাবাসী ধানের ন্যায্য মুল্য চাই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

লোহাগড়ায় ধানের বাজারে ধস কতৃপক্ষের নাই কোন তদারকি,বিপাকে সাধারণ কৃষক

১০:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সকল হাট বাজারে ধানে মুল্য এক হাজার থেকে ১১ শ টাকা। এই মূল্য নিয়ে বিপাকে পড়েছে লোহাগড়ার সাধারণ কৃষক।

একদিকে প্রকৃতির বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে ধান, অপর দিকে জনের ( কিষেন) দাম হাজার টাকা ছাড়িয়েছে তারপর আবার এলাকার ধান ব্যাবসায়ীদের সিন্ডিকেট করে ধানের দাম কমিয়ে দেয়া। কৃষকদের এযেন মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ।

এলাকার সাধারণ কৃষক, রইচ উদ্দিন টিপু, আসাদ শেখ, শাকিল শেখ, মানিক শেখ, ফরিদ সিকদার, রফিকুল মন্ডল সহ বেশকিছু কৃষকের সাথে কথা হলে তারা বলেন আমরা শুনছি বাপু কৃষক নাকি বাংলাদেশের জান! এ কি করতিছে আমাগে সরকার মাইরে ফেলাক!! সারা বছর কষ্ট ওইরে ধানের দাম ১১শ টাহা মন। শুনছি নীল সাহেবরা জোর করে নীল চাষ করায় সঠিক মূল্য দেতো। এতো তার চেয়ে খারাপ। সামনের বছর রিকসা চালাতি যাবানি, ধান,পান আর লাগাবো নানে।

এই বিষয়ে লোহাগড়ার স্থানীয় কয়েকজন ধান ব্যাবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা বলেন সরকার বিদেশ থেকে চাউল আমদানি ও মিলাররা কম দামে ধান ক্রয় করাতে ধানের বাজারে ধস নেমেছে।

এবিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মুনমুন সাহার সাথে কথা হলে তিনি বলেন লোহাগড়ায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বৃষ্টির কারণে কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ। আর ধানের মুল্য তো সরকার নিদিষ্ট একটা দাম দিয়েছে। তবে কেন স্থানীয় ধান ব্যাবসায়ীরা এমন সিন্ডিকেট করেছে তা আমার জানা নাই। ধানের মুল্য নিয়ে ঊর্ধ্বতন মহলে কথা বলেছি।

নড়াইল জেলার ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শামীম হাসান বলেন ধান ক্রয়বিক্রয় ভোক্তা অধিকার আইনে পড়ে না। বিষয়টি কৃষি বিপনন বিভাগের আপনারা সেখানে যোগাযোগ করেন।

এই ধানের মুল্য নিয়ে উপজেলার প্রতি এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। এলাকাবাসী ধানের ন্যায্য মুল্য চাই।