ময়মনসিংহে শ্রীরামচন্দ্রের অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ,
- ১২:১১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
- / 1
মানবতার পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা এবং গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির ধ্বংসের হুমকির প্রতিবাদে ময়মনসিংহে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন ২০২৬) বিকেল ৩টায় নগরীর ফিরোজ জাহাঙ্গীর চত্বরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদসহ বিভিন্ন হিন্দু ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রাম বিগ্রহ নির্মাণে বাধা ও অবমাননার ঘটনার প্রতিবাদে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এতে অংশ নেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফিরোজ জাহাঙ্গীর চত্বরে এসে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট মিলন কান্তি সরকার। সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট তপন কুমার দে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নিপেশ চন্দ্র সরকার, সভাপতি, জাতীয় হিন্দু মহাজোট ময়মনসিংহ জেলা শাখা; পার্থসারথি সিংহ আপেল, আহ্বায়ক, পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ময়মনসিংহ মহানগর; বিজয় মিত্র শুভ, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট ময়মনসিংহ; অ্যাডভোকেট সজীব সরকার রোকন, সাধারণ সম্পাদক, ময়মনসিংহ জেলা জজ কোর্ট আইনজীবী সমিতি; অ্যাডভোকেট প্রশান্ত দাস চন্দন, সভাপতি, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ময়মনসিংহ মহানগর শাখা; নারায়ণ চন্দ্র পাল, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় হিন্দু মহাজোট ময়মনসিংহ জেলা শাখা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল চন্দ্র পাল, সহ-সভাপতি, জাতীয় হিন্দু মহাজোট ময়মনসিংহ জেলা শাখাসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, মন্দির ও প্রতিমা নিয়ে অবমাননাকর কর্মকাণ্ড এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তাহীনতার ঘটনাগুলো উদ্বেগজনক। তারা এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানান। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সকল নাগরিকের সমঅধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ‘সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন পাস করো’, ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা চাই’ এবং ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের বিচার চাই’ লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
বক্তারা আরও বলেন, তারা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়, বরং সংবিধানসম্মত সমান অধিকার ও নিরাপত্তা চান।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।


















