ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

তারাকান্দায় সেপটিক ট্যাংকে অ’জ্ঞা’ত না’রী’র লা/শে/র পরিচয় স’না’ক্ত গ্রে’ফ’তা’র ০১আলামত উ’দ্ধা’র

প্রতিনিধির নাম
  • ০৬:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
  • / 2

বিশেষ প্রতিনিধি বিশ্ব নাথ সাহা বিশু ময়মনসিংহ

 

গত ০৩/০৭/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকায় তারাকান্দা থানাধীন দাদরা গ্রামে পরিত্যক্ত বাড়ীর সেপটিক ট্যাংকে অ’জ্ঞা’ত ম’হি’লা’র গ’লি’ত মৃ/ত/দে/হ পাওয়া যায়। সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ, র‍্যাব ও সিআইডির পাশাপাশি পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার একটি টিম ঘটনার র’হ’স্য উদঘাটনের জন্য ছায়া ত’দ’ন্ত শুরু করে।

অ্যাডিশনাল আইজিপি, পিবিআই মোঃ মোস্তফা কামাল এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার এর সার্বিক সহযোগীতায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন আহমেদ, পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) ও তার টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় নি/হ/তে/র পরিচয় স’না’ক্তে’র মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যেই হ/ত্যা/কা/ন্ডে জ’ড়ি’ত আ’সা’মী’র পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং গত ০৫/০৭/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ০৩.৩০ ঘটিকায় ফুলপুর থানাধীন ফুলপুর বেপারী পাড়া এলাকা থেকে তদন্তে প্রাপ্ত আ’সা’মী

১। রোহান মিয়া (২৫) পিতা-মোঃ আলাল মিয়া মাতা- সেলিনা খাতুন, সাং-দাদরা, থানা-তারাকান্দা, জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রে’ফ’তা’র করে। আ’সা’মী’র হেফাজত থেকে তার দেখানো ও স’না”ক্ত মতে ডিসিস্টের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উ’দ্ধা’র করা হয়েছে এবং পিবিআই মা’ম’লা’টি স্বউদ্যোগে গ্রহণ করে।

জানা যায়, ডিসিস্টের নাম সুফিয়া খাতুন (৩৪), পিতা-কেরামত আলী, সাং-পাতিলগাঁও, থানা-ফুলপুর জেলা-ময়মনসিংহ। তিনি গত ২৯ তারিখ ছাগল বিক্রি করতে স্থানীয় তারাকান্দা বাজারে যায় এবং সন্ধ্যা থেকে তাকে খুঁ’জে পাওয়া যাচ্ছিলনা। এসংক্রান্তে তার ছোট ভাই ইলিয়াস তারাকান্দা থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন।

পিবিআই এর তদন্তে প্রকাশ পায় যে, গ্রে’ফ’তা’র’কৃ’ত আ’সা’মী রোহান তার একজন বন্ধুর কাছ থেকে ভিকটিম সুফিয়ার মোবাইল নম্বরটি নিয়ে প্রেমের অভিনয় করে এবং গত ২৯/০৬/২০২৫ তারিখে ভিকটিম সুফিয়া তারাকান্দা বাজারে ছাগল বিক্রি করতে আসলে আ’সা’মী রোহান তার সাথে দেখা করে ভিকটিম সুফিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে এবং রাত অনুমান ২১.০০ ঘটিকার দিকে আ’সা’মী’র এলাকায় জনৈক গেসু মিয়ার পরিত্যক্ত নির্জন বাড়ীতে ভিকটিমকে নিয়ে গিয়ে আ’সা’মী রোহান ভি’ক’টি’ম সুফিয়ার সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়। শারীরিক সম্পর্ক শেষে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং তা ঝ’গ’ড়া’য় পর্যবসিত হয়। ভি’ক’টি’ম সুফিয়া উ’ত্তে’জি’ত হয়ে আ’সা’মী’কে চড় মারলে আ’সা’মী ক্ষিপ্ত হয়ে ভি’ক’টি’মে’র গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বা’স’রো’ধ করে হ/ত্যা করে এবং হ/ত্যা/কা/ন্ড গো/প/ন করতে মৃ/ত/দে/হ/টি পাশের সেপটিক ট্যাংকির ভিতরে ফেলে দেয়। আ/সা/মী রোহান ডিসিস্ট সুফিয়ার সাথে থাকা ৪,০০০/- টাকা ও মোবাইল ফোনটি নিয়ে আ/ত্ম/গো/প/নে চলে যায়।

ময়মনসিংহ পিবিআই পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার জানান, পিবিআই এর আভিযানিক টিমের নিরলস প্রচেষ্টা ও পিবিআই হেডকোয়ার্টার্সের এলআইসি শাখার সহযোগীতায় মাত্র ০১ দিনের মধ্যেই চা’ঞ্চ’ল্য’ক’র ক্লু’লে’স এই হ/ত্যা/কা/ন্ডে/র আ/সা/মী/কে গ্রে’ফ’তা’র করা এবং আ’সা’মী’র হেফাজত থেকে ভি’ক’টি’মে’র ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উ’দ্ধা’র করা সম্ভব হয়েছে। উল্লখ্য যে, আ’সা’মী রোহান পূর্বেও এইরূপ হ/ত্যা/কা/ন্ড জনিত মা’ম’লা’র সাথে জ’ড়ি”ত মর্মে তথ্য পাওয়া গিয়েছে। আ’সা’মী রোহান মিয়া (২৫) কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মা’ম’লা’র ঘটনায় গ্রে’ফ’তা’র আ’সা’মী রোহান (২৫) এর সাথে আরও কারো সম্পৃক্ততা ছিল কিনা এবিষয়ে ত’দ’ন্ত অব্যাহত আছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

তারাকান্দায় সেপটিক ট্যাংকে অ’জ্ঞা’ত না’রী’র লা/শে/র পরিচয় স’না’ক্ত গ্রে’ফ’তা’র ০১আলামত উ’দ্ধা’র

০৬:২৬:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

বিশেষ প্রতিনিধি বিশ্ব নাথ সাহা বিশু ময়মনসিংহ

 

গত ০৩/০৭/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ১০.০০ ঘটিকায় তারাকান্দা থানাধীন দাদরা গ্রামে পরিত্যক্ত বাড়ীর সেপটিক ট্যাংকে অ’জ্ঞা’ত ম’হি’লা’র গ’লি’ত মৃ/ত/দে/হ পাওয়া যায়। সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ, র‍্যাব ও সিআইডির পাশাপাশি পিবিআই ময়মনসিংহ জেলার একটি টিম ঘটনার র’হ’স্য উদঘাটনের জন্য ছায়া ত’দ’ন্ত শুরু করে।

অ্যাডিশনাল আইজিপি, পিবিআই মোঃ মোস্তফা কামাল এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার এর সার্বিক সহযোগীতায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন আহমেদ, পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) ও তার টিম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় নি/হ/তে/র পরিচয় স’না’ক্তে’র মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যেই হ/ত্যা/কা/ন্ডে জ’ড়ি’ত আ’সা’মী’র পরিচয় সনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং গত ০৫/০৭/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ০৩.৩০ ঘটিকায় ফুলপুর থানাধীন ফুলপুর বেপারী পাড়া এলাকা থেকে তদন্তে প্রাপ্ত আ’সা’মী

১। রোহান মিয়া (২৫) পিতা-মোঃ আলাল মিয়া মাতা- সেলিনা খাতুন, সাং-দাদরা, থানা-তারাকান্দা, জেলা-ময়মনসিংহকে গ্রে’ফ’তা’র করে। আ’সা’মী’র হেফাজত থেকে তার দেখানো ও স’না”ক্ত মতে ডিসিস্টের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উ’দ্ধা’র করা হয়েছে এবং পিবিআই মা’ম’লা’টি স্বউদ্যোগে গ্রহণ করে।

জানা যায়, ডিসিস্টের নাম সুফিয়া খাতুন (৩৪), পিতা-কেরামত আলী, সাং-পাতিলগাঁও, থানা-ফুলপুর জেলা-ময়মনসিংহ। তিনি গত ২৯ তারিখ ছাগল বিক্রি করতে স্থানীয় তারাকান্দা বাজারে যায় এবং সন্ধ্যা থেকে তাকে খুঁ’জে পাওয়া যাচ্ছিলনা। এসংক্রান্তে তার ছোট ভাই ইলিয়াস তারাকান্দা থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন।

পিবিআই এর তদন্তে প্রকাশ পায় যে, গ্রে’ফ’তা’র’কৃ’ত আ’সা’মী রোহান তার একজন বন্ধুর কাছ থেকে ভিকটিম সুফিয়ার মোবাইল নম্বরটি নিয়ে প্রেমের অভিনয় করে এবং গত ২৯/০৬/২০২৫ তারিখে ভিকটিম সুফিয়া তারাকান্দা বাজারে ছাগল বিক্রি করতে আসলে আ’সা’মী রোহান তার সাথে দেখা করে ভিকটিম সুফিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে এবং রাত অনুমান ২১.০০ ঘটিকার দিকে আ’সা’মী’র এলাকায় জনৈক গেসু মিয়ার পরিত্যক্ত নির্জন বাড়ীতে ভিকটিমকে নিয়ে গিয়ে আ’সা’মী রোহান ভি’ক’টি’ম সুফিয়ার সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ায়। শারীরিক সম্পর্ক শেষে এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং তা ঝ’গ’ড়া’য় পর্যবসিত হয়। ভি’ক’টি’ম সুফিয়া উ’ত্তে’জি’ত হয়ে আ’সা’মী’কে চড় মারলে আ’সা’মী ক্ষিপ্ত হয়ে ভি’ক’টি’মে’র গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বা’স’রো’ধ করে হ/ত্যা করে এবং হ/ত্যা/কা/ন্ড গো/প/ন করতে মৃ/ত/দে/হ/টি পাশের সেপটিক ট্যাংকির ভিতরে ফেলে দেয়। আ/সা/মী রোহান ডিসিস্ট সুফিয়ার সাথে থাকা ৪,০০০/- টাকা ও মোবাইল ফোনটি নিয়ে আ/ত্ম/গো/প/নে চলে যায়।

ময়মনসিংহ পিবিআই পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আক্তার জানান, পিবিআই এর আভিযানিক টিমের নিরলস প্রচেষ্টা ও পিবিআই হেডকোয়ার্টার্সের এলআইসি শাখার সহযোগীতায় মাত্র ০১ দিনের মধ্যেই চা’ঞ্চ’ল্য’ক’র ক্লু’লে’স এই হ/ত্যা/কা/ন্ডে/র আ/সা/মী/কে গ্রে’ফ’তা’র করা এবং আ’সা’মী’র হেফাজত থেকে ভি’ক’টি’মে’র ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উ’দ্ধা’র করা সম্ভব হয়েছে। উল্লখ্য যে, আ’সা’মী রোহান পূর্বেও এইরূপ হ/ত্যা/কা/ন্ড জনিত মা’ম’লা’র সাথে জ’ড়ি”ত মর্মে তথ্য পাওয়া গিয়েছে। আ’সা’মী রোহান মিয়া (২৫) কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মা’ম’লা’র ঘটনায় গ্রে’ফ’তা’র আ’সা’মী রোহান (২৫) এর সাথে আরও কারো সম্পৃক্ততা ছিল কিনা এবিষয়ে ত’দ’ন্ত অব্যাহত আছে।