ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

চাচা ভাতিজার হাতে জিম্মি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১১নং ওয়ার্ড বাসি,

মোঃ শাহাদাত হোসেন,ষ্টাফ রিপোর্টার,
  • ০৫:৪৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩
  • / 171

মোঃ শাহাদাত হোসেন,ষ্টাফ রিপোর্টার

 

সিলেট মহানগরীর ১১ওয়ার্ড কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম (ঝলক)ও ভাতিজা সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফছর আজিজের হাতে বৃহত্তর লালাদিঘির সহ ১১নং ওয়ার্ড বাসি জিম্মি হয়ে আছে।

জানা যায় কুয়ার পাড়ের ড্রেনেজ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ ধীর গতিতে করার পেছনে বর্তমান কাউন্সিলর ও তার ভাতিজার কারসাজির দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় সাধারণ জনগনকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সিলেটের পূর্নভূমি পত্রিকার সম্পাদক – বিশিষ্ট সাংবাদিক – বিশিষ্ট সমাজসেবী – কুয়ারপাড় এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি জনাব আবু তালেব সাহেবের বাসার সামনে থেকে শুরু করে কুমার বাড়ি ও জনাব নজরুল ইসলামের বাসার সামনের ড্রেনেজের কাজ অতিনিম্ন মানের ও ঝুঁকিপূর্ন।

শুধু তাই নয় লালাদিঘির পাড় বড় জামে মসজিদের গলির কাজেও অনিয়ম ও ধীর গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যার নেপত্যে রয়েছেন বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার ভাতিজা।

এর আগে বৃহত্তর লালাদিঘির পাড় ও কুয়ারপাড়ের উন্নয়ন মূলক কাজে কি পরিমাণ দূর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট, হরিলুট চলতেছিলো তার প্রতিবেদনে তুলে ধরে ছিলেন অত্র এলাকার কৃতি সন্তান ইমন ইবনে সম্রাজ।

ওয়ার্ডের সাধারণ জনগন তাদের মূল্যবান ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন অথেচ জনগনের রায় তোয়াক্কা না করে , জনগনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে নীরবে নিভৃতে বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার ভাতিজা মনগড়া কাজ করে যাচ্ছেন অবৈধভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

পাশাপাশি কোটি কোটি টাকার উন্নয়নের বরাদ্দের টাকা কোথায় গেলো, কেনো এতো ধীর গতিতে কাজ চলতেছে, কোন ক্ষমতা বলে বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ভাতিজা সরকারি কাজে তদারকি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানুষের ঘরবাড়ি, দেয়াল, দোকান কোঠা, বাসার গেইট ভেঙে ফেলে মনগড়া কাজ করতেছেন কেনো করতেছেন ১১নং ওয়ার্ডের বৃহত্তর কুয়ারপাড় ও লালাদিঘির পাড়ের সর্বস্তরের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ জানতে চান।

ভূলে গেলে চলবেনা এই ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও তার ভাই ভাতিজারা কুয়ারপাড় আবাসিক এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব শাকিল মোর্শেদকে হত্যার অপচেষ্টা করেছিলো।
কুয়ারপাড় আবাসিক এলাকার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চেম্বার অফ কমার্সের সম্মানিত সদস্য জনাব আব্দুস সামাদ তুহেল বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং তার ভাই ভাতিজাদের দূর্নীতি, অনিয়ম, নিজ সার্থ হাসিলবাদী কাজে প্রতিবাদ জানালে – বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার ভাই ভাতিজারা আব্দুস সামাদ তুহেল ভাইয়ের উপর হামলার অপচেষ্টা করার পাশাপাশি বাসাবাড়িতে তান্ডব চালায়।

আবার রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার ভাই ভাতিজারা বৃহত্তর কুয়ারপাড় এলাকাবাসীর সঙ্গে অযতা সংঘর্ষে জড়ায় এবং বিভিন্ন বাসাবাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালায়।

বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ভাতিজাদের কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, জোয়া ও মাদক ব্যবসার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায় লালাদিঘির পাড় রেড জোনে চলে আসে এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের চিন্হিত গডফাদার ভাতিজাকে গ্রেফতারের জন্য লালাদিঘির পাড় এলাকার দফায় দফায় অভিযান পরিচালনা করে যার জন্য অনেক নিরীহ নিরপরাধ সাধারণ জনগনকে হয়রানি পোহাতে হয়েছে।

তাই আসুন মানব চক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে থাকা লেবাসধারী, মুখোশধারী, সিন্ডিকেটবাজ, জোয়া ও তীর মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদার , ভূমিখেকো , ভন্ড, মসজিদের মাদ্রাসা জোর একনায়কতন্ত্রে চলিতেছে। তাহারা এলাকার পঞ্চায়েতের একটু ও তুআক্কা করে না। পূর্বক দখলের পায়তারাকারী , দূর্নীতিবাজ, অনিয়মকারী জনপ্রতিনিধি এবং তার ভাই ভাতিজাদের অপকর্মের কলংক জনক অধ্যায় থেকে ওয়ার্ডবাসীকে মুক্তি দিতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদের পাবলিকলি বয়কট করেন।

এলাকাবাসি বলেছেন মনে রাখবেন অন্যায় যে করে এবং অন্যায় যে সহে উভয়ই সম অপরাধে অপরাধী তাই ১১নং ওয়ার্ডবাসীর আজ ও আগামী প্রজন্মের তরুন ও যুব সমাজ , এবং বৃহত্তর ১১নং ওয়ার্ডবাসী চায় উন্নয়ন স্বার্থে ও মঙ্গলের জন্য সবাই বলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১১নং ওয়ার্ডে এমন একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত প্রতিনিধি দরকার যিনি ভক্তক নন রক্ষক হয়ে জনতার পাশে থেকে কাজ করে আজীবন থাকবেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চাচা ভাতিজার হাতে জিম্মি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১১নং ওয়ার্ড বাসি,

০৫:৪৬:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ মে ২০২৩

মোঃ শাহাদাত হোসেন,ষ্টাফ রিপোর্টার

 

সিলেট মহানগরীর ১১ওয়ার্ড কাউন্সিলর রকিবুল ইসলাম (ঝলক)ও ভাতিজা সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফছর আজিজের হাতে বৃহত্তর লালাদিঘির সহ ১১নং ওয়ার্ড বাসি জিম্মি হয়ে আছে।

জানা যায় কুয়ার পাড়ের ড্রেনেজ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ ধীর গতিতে করার পেছনে বর্তমান কাউন্সিলর ও তার ভাতিজার কারসাজির দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় সাধারণ জনগনকে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সিলেটের পূর্নভূমি পত্রিকার সম্পাদক – বিশিষ্ট সাংবাদিক – বিশিষ্ট সমাজসেবী – কুয়ারপাড় এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি জনাব আবু তালেব সাহেবের বাসার সামনে থেকে শুরু করে কুমার বাড়ি ও জনাব নজরুল ইসলামের বাসার সামনের ড্রেনেজের কাজ অতিনিম্ন মানের ও ঝুঁকিপূর্ন।

শুধু তাই নয় লালাদিঘির পাড় বড় জামে মসজিদের গলির কাজেও অনিয়ম ও ধীর গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যার নেপত্যে রয়েছেন বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার ভাতিজা।

এর আগে বৃহত্তর লালাদিঘির পাড় ও কুয়ারপাড়ের উন্নয়ন মূলক কাজে কি পরিমাণ দূর্নীতি, অনিয়ম, লুটপাট, হরিলুট চলতেছিলো তার প্রতিবেদনে তুলে ধরে ছিলেন অত্র এলাকার কৃতি সন্তান ইমন ইবনে সম্রাজ।

ওয়ার্ডের সাধারণ জনগন তাদের মূল্যবান ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করেছেন অথেচ জনগনের রায় তোয়াক্কা না করে , জনগনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে নীরবে নিভৃতে বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার ভাতিজা মনগড়া কাজ করে যাচ্ছেন অবৈধভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

পাশাপাশি কোটি কোটি টাকার উন্নয়নের বরাদ্দের টাকা কোথায় গেলো, কেনো এতো ধীর গতিতে কাজ চলতেছে, কোন ক্ষমতা বলে বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ভাতিজা সরকারি কাজে তদারকি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে মানুষের ঘরবাড়ি, দেয়াল, দোকান কোঠা, বাসার গেইট ভেঙে ফেলে মনগড়া কাজ করতেছেন কেনো করতেছেন ১১নং ওয়ার্ডের বৃহত্তর কুয়ারপাড় ও লালাদিঘির পাড়ের সর্বস্তরের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ জানতে চান।

ভূলে গেলে চলবেনা এই ১১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও তার ভাই ভাতিজারা কুয়ারপাড় আবাসিক এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব শাকিল মোর্শেদকে হত্যার অপচেষ্টা করেছিলো।
কুয়ারপাড় আবাসিক এলাকার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চেম্বার অফ কমার্সের সম্মানিত সদস্য জনাব আব্দুস সামাদ তুহেল বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং তার ভাই ভাতিজাদের দূর্নীতি, অনিয়ম, নিজ সার্থ হাসিলবাদী কাজে প্রতিবাদ জানালে – বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার ভাই ভাতিজারা আব্দুস সামাদ তুহেল ভাইয়ের উপর হামলার অপচেষ্টা করার পাশাপাশি বাসাবাড়িতে তান্ডব চালায়।

আবার রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার ভাই ভাতিজারা বৃহত্তর কুয়ারপাড় এলাকাবাসীর সঙ্গে অযতা সংঘর্ষে জড়ায় এবং বিভিন্ন বাসাবাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালায়।

বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ভাতিজাদের কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, জোয়া ও মাদক ব্যবসার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকায় লালাদিঘির পাড় রেড জোনে চলে আসে এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বর্তমান ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের চিন্হিত গডফাদার ভাতিজাকে গ্রেফতারের জন্য লালাদিঘির পাড় এলাকার দফায় দফায় অভিযান পরিচালনা করে যার জন্য অনেক নিরীহ নিরপরাধ সাধারণ জনগনকে হয়রানি পোহাতে হয়েছে।

তাই আসুন মানব চক্ষুর আড়ালে লুকিয়ে থাকা লেবাসধারী, মুখোশধারী, সিন্ডিকেটবাজ, জোয়া ও তীর মাদক ব্যবসায়ীদের গডফাদার , ভূমিখেকো , ভন্ড, মসজিদের মাদ্রাসা জোর একনায়কতন্ত্রে চলিতেছে। তাহারা এলাকার পঞ্চায়েতের একটু ও তুআক্কা করে না। পূর্বক দখলের পায়তারাকারী , দূর্নীতিবাজ, অনিয়মকারী জনপ্রতিনিধি এবং তার ভাই ভাতিজাদের অপকর্মের কলংক জনক অধ্যায় থেকে ওয়ার্ডবাসীকে মুক্তি দিতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদের পাবলিকলি বয়কট করেন।

এলাকাবাসি বলেছেন মনে রাখবেন অন্যায় যে করে এবং অন্যায় যে সহে উভয়ই সম অপরাধে অপরাধী তাই ১১নং ওয়ার্ডবাসীর আজ ও আগামী প্রজন্মের তরুন ও যুব সমাজ , এবং বৃহত্তর ১১নং ওয়ার্ডবাসী চায় উন্নয়ন স্বার্থে ও মঙ্গলের জন্য সবাই বলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ১১নং ওয়ার্ডে এমন একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত প্রতিনিধি দরকার যিনি ভক্তক নন রক্ষক হয়ে জনতার পাশে থেকে কাজ করে আজীবন থাকবেন।