আমেরিকা প্রবাসী স্বামী নিজের গাঁ বাচাঁতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলা, পুলিশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।,
- ০৬:০৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩
- / 130
সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি
আমেরিকা প্রবাসী যৌতুক লোভী স্বামীর পরিবারের নির্যাতনের শিকার এক গৃহিণী, পাঁচ মাসের শিশু সন্তান নিয়ে সবার ধারে ধারে ঘুরে কুনো বিচার পাচ্ছেন না। প্রভাবশালী পরিবারের ক্ষমোতার বলে এই গৃহিণী নিরাপত্তা হীনতায় দিনযাপন করছেন বলে জানান। তার স্বামী এবং তার পরিবার প্রভাবশালী ও খারাপ প্রকৃতির লোক হওয়ায় তিনি সবার ধারে ধারে ঘুরেও কুনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলেও জানান। আমেরিকা প্রবাসী সানি রাজা চৌধুরী, এবং স্বামী নিজের গাঁ বাচাঁতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে ডাকাতি মামলার নাটক সাজিয়ে হয়রানি করছেন বলে জানান। এবং আমেরিকা প্রবাসীর স্ত্রী আরও বিভিন্ন লোক মারফত জানতে পারেন যে এর আগেও তিনি ৩টি বিয়ে করেছেন আমি এর আগে জানতাম না।
সিলেট এয়ারপোর্ট থানার জালালাবাদ আ/এ ৪৭/১০নং বাসার বাসিন্দা আমেরিকা প্রবাসী সানি রাজা চৌধুরী, পিতা ফরহাদ রাজা চৌধুরী, সানি রাজা চৌধুরীর সাথে (ফাতেমা আক্তার শিপার) সাথে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ছিলেন” তখনোও তিনি এসবের কিছুই জানতেন না।
বিগত ০২/০২/২০২২ইং ফাতেমা আক্তার (শিপাকে) ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর নিজের বাসায় না নিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে উপশহরে একটি বাসাভাড়া নিয়ে থাকতেন, এখন তাহাদের ৫মাসের একটি শিশু (ফারদিন রাজা চৌধুরী) আছে।
তিনি জানান বিয়ের পর থেকে সব সময় যৌতুকের জন্য চাপ দিতেন। এর পর তিনি জানান পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলে তিনি আমেরিকায় চলে যান, আমেরিকা যাওয়ার সময় আমাকে যৌতুকের টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। তখন আমার বাবার দেওয়া ১ভরী স্বর্ণালংকার বিক্রি করে তাহাকে ৮০হাজার টাকা দেই। এরপর তিনি আমেরিকায় চলে যান, পরে তার মা-বাবার পরচনায় আমাকে ১০লক্ষ টাকা যৌতুক দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। তখন আমার স্বামীর সাথে ফোনে যোগাযোগ হলে বলেন,
আমাকে আমেরিকা নিতে হলে ১০লক্ষ টাকা জোগাড় করে দিতে হবে। তখন আমার পিত্রালয় থেকে আমি ১০লক্ষ টাকা এনে দেন আমার পিতা আমার সুখের জন্য ধারদেনা করে টাকাটা দেন।
এরপর আমার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়, এর পর হঠাৎ একদিন আমি ফোন করলে ফোন রিসিভ করে বলেন। আমাকে আমেরিকা নিতে আরো ১০লক্ষ টাকা লাগবে, এতে আমি এবং আবার বাবা-মা অপারগতা প্রকাশ করলে আমার সাথে একেবারে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।
পরে তিনি তাহার মা বাবার পরোচনায় আমার ফোন রিসিভ করেননি পরে উনার বাবা-মা সহ আমার উপর যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তখন আমি অপারগতা প্রকাশ করি।
এরপর থেকে আমার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিতে থাকেন তাঁহার পরিবারের লোকজন দিয়ে। তখন আমি আমার পাঁচ মাসের বাচ্চা নিয়ে ভাড়া বাসায় খুব কষ্টে দিনযাপন করতেছি আমার বাচ্চার আমার ভরণপোসন কোন খরচ তাদের কাছ থেকে পাইনি এবং আমার শ্বশুর শাশুড়ির কাছে গেলে তারা আমাকে বিভিন্ন ধরনের কথা এবং হুমকি দিতে থাকেন।
আমি আমার বাচ্চা নিয়ে অসহায়ত্বর কথা বললে বিভিন্নভাবে আমার উপর নির্যাতনে করতে থাকেন।
তখন আমি নিরুপায় হয়ে এয়ারপোর্ট থানায় ০৩/০৫/২০২৩ইং তারিখে একটি অভিযোগ দায়ের করি। পাঁচ মাসের বাচ্চা শিশু (ফারদিন রাজা চৌধুরীক) নিয়ে আমি অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করতেছি। ফোন করেও আমার স্বামীর সাথে কোন যোগাযোগ করা যায়নি। এর পর আমি জানতে পারি ।
গত ২৮/০৪/২০২৩ইং আমার স্বামী সানি রাজা চৌধুরী বাংলাদেশে এসেছেন, এসে তিনি বাবা মায়ের সাথে থাকতেন আমি জানতাম না,এরই মধ্যে তাহার মা বাবার প্ররোচনায় সিলেটের ফেন্সিগঞ্জে আমার অনুমতি ছাড়া তিনি আরেকটি বিবাহ করেন বলে অন্যান্য লোকের মাধ্যমে জানতে পারি। পরে ০৯/০৫/২০২৩ইং আমার স্বামীর নিজ বাসায় ছুটে যাই।
স্ত্রী শিপা তাহার স্বামীর বাসায় গেলে বাসা তালাবদ্ধ পান, এবং তিনি অনশন করতে থাকেন, পরে তালা খুলে তিনি ভিতরে প্রবেশ করলে তাকে মিথ্যা ডাকাতির অপবাদ দিয়ে এয়ারপোর্ট থানার আওতাধীন আম্বর খানা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মোঃ মফিজ একদল পুলিশ নিয়ে জালালাবাদের আ/এ বাসায় গিয়ে থাকে নিয়ে পরে এয়ারপোর্ট থানায় চলে যান। এবং তাহার উপর ডাকাতির অভিযোগ করা হয়। তখন পুলিশ আমার কাছে কোন ডাকাতির মালামাল পায়নি। পরে এয়ারপোর্ট থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মঈন উদ্দিন নির্দেশে থাকে উপশহরের বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। এবং তিনি বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন বলে জানান।


















