ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

ফুলবাড়ী থানাধীন ভাবনচুর মন্ডলপাড়া গ্রামের অসহায় জয়তুন্নেসা তার স্বামী আব্দুল খালেক ও সৎ ছেলে মনিরের ষড়যন্ত্রের শিকার

প্রতিনিধির নাম
  • ০৩:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 2

দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী থানা ভবনচুর গ্রামের অসহায় মহিলা গরু বিক্রয় এক লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ অতঃপর বেধক মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে

ফুলবাড়ী থানাধীন ভাবনচুর মন্ডলপাড়া গ্রামের অসহায় জয়তুন্নেসা তার স্বামী আব্দুল খালেক ও সৎ ছেলে মনিরের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়। জয়তুন্নেসা বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরেও বিচার পাচ্ছে না। সরো জমিনে গিয়ে জানা যায় জয়তুন নেশা বিরামপুর উপজেলার পোস্তমপুর গ্রামের মৃত মনছের আলীর মেয়ে।

অপরদিকে আব্দুল খালেক তার প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর জয়তুন নেছার সাথে ইসলামিক শরীয়ত অনুযায়ী তাদের বিবাহ হয়। বিবাহের পর তাদের উরসে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। বর্তমান সেই ছেলে ক্লাস সেভেনে পড়াশোনা করে। জয়তুন নেশা তার বাড়িতে গৃহপালিত দুইটি গরুও চারটি ছাগল পালন করে জীবনযাপন করে থাকে। বর্তমানে জয়তুন্নেসা শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ।

সে চিকিৎসার জন্য তার পালিত একটি গরু বিক্রি করতে চাইলে তার সৎ ছেলে মনির উদ্দিন কুরবানীর জন্য এক লক্ষ ৮৫ হাজার টাকায় গরুটি কিনতে সম্মতি দেয় এবং ১৫০০০ টাকা বায়না দিয়ে গরুটি তার বাড়িতে নিয়ে যায়। জয়তুন নেশা গরুর বিক্রির বাকি টাকা তার সৎ ছেলে মনিরের কাছে চাইতে গেলে উক্ত মনির বিভিন্ন তালবাহানা করে। তালবাহানার এক পর্যায়ে মনির উদ্দীন ও তার পিতা আব্দুল খালেক অসুস্থ জয়তুন নেতাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

গালিগালাজের এক পর্যায়ে বেধড়ক মারধর করে বাড়ি থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় । এবং জানে মেরে লাশ মাটিতে পুঁতে ফেলার বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়।

উক্ত জয়তুন নেশা সুবিচার পাওয়ার জন্য একই উপজেলার ৬ নম্বর দৌলতপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বারসহ বিভিন্ন লোকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সুবিচার পাচ্ছে না। এ বিষয়ে জয়তুন নেশা সুবিচার পাবার জন্য নিজে বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ফুলবাড়ী থানাধীন ভাবনচুর মন্ডলপাড়া গ্রামের অসহায় জয়তুন্নেসা তার স্বামী আব্দুল খালেক ও সৎ ছেলে মনিরের ষড়যন্ত্রের শিকার

০৩:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী থানা ভবনচুর গ্রামের অসহায় মহিলা গরু বিক্রয় এক লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ অতঃপর বেধক মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে

ফুলবাড়ী থানাধীন ভাবনচুর মন্ডলপাড়া গ্রামের অসহায় জয়তুন্নেসা তার স্বামী আব্দুল খালেক ও সৎ ছেলে মনিরের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়। জয়তুন্নেসা বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরেও বিচার পাচ্ছে না। সরো জমিনে গিয়ে জানা যায় জয়তুন নেশা বিরামপুর উপজেলার পোস্তমপুর গ্রামের মৃত মনছের আলীর মেয়ে।

অপরদিকে আব্দুল খালেক তার প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর জয়তুন নেছার সাথে ইসলামিক শরীয়ত অনুযায়ী তাদের বিবাহ হয়। বিবাহের পর তাদের উরসে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। বর্তমান সেই ছেলে ক্লাস সেভেনে পড়াশোনা করে। জয়তুন নেশা তার বাড়িতে গৃহপালিত দুইটি গরুও চারটি ছাগল পালন করে জীবনযাপন করে থাকে। বর্তমানে জয়তুন্নেসা শারীরিকভাবে খুবই অসুস্থ।

সে চিকিৎসার জন্য তার পালিত একটি গরু বিক্রি করতে চাইলে তার সৎ ছেলে মনির উদ্দিন কুরবানীর জন্য এক লক্ষ ৮৫ হাজার টাকায় গরুটি কিনতে সম্মতি দেয় এবং ১৫০০০ টাকা বায়না দিয়ে গরুটি তার বাড়িতে নিয়ে যায়। জয়তুন নেশা গরুর বিক্রির বাকি টাকা তার সৎ ছেলে মনিরের কাছে চাইতে গেলে উক্ত মনির বিভিন্ন তালবাহানা করে। তালবাহানার এক পর্যায়ে মনির উদ্দীন ও তার পিতা আব্দুল খালেক অসুস্থ জয়তুন নেতাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

গালিগালাজের এক পর্যায়ে বেধড়ক মারধর করে বাড়ি থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় । এবং জানে মেরে লাশ মাটিতে পুঁতে ফেলার বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়।

উক্ত জয়তুন নেশা সুবিচার পাওয়ার জন্য একই উপজেলার ৬ নম্বর দৌলতপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মেম্বারসহ বিভিন্ন লোকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সুবিচার পাচ্ছে না। এ বিষয়ে জয়তুন নেশা সুবিচার পাবার জন্য নিজে বাদী হয়ে ফুলবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।