ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

কুড়িগ্রাম চিলমারীতে চাঞ্চল্যকর দুই বছরের শিশু আয়েশা হত্যার রহস্য উদঘাটন-গ্রেফতার দুই জন।

প্রতিনিধির নাম
  • ১১:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / 2

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী থানাধীন মাচাবান্ধা সাহাপাড়া এলাকার মোঃ আলমগীর হোসেন এর দুই বছরের শিশু কন্যা আয়শা আক্তার আশুরা

গত ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ইং তারিখ সকাল বেলা খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়!

পরবর্তীতে তার মরদেহ রাত আনুমানিক ০৯:৩০ ঘটিকায় পাশের একটি পরিত্যাক্ত জমি উদ্ধার করা হয়! শিশু আয়েশার নির্মম মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়! এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা আলমগীর হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে চিলমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-০৪–ঘটনার তারিখ- ১৮/০৪/২০২৬!

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব খন্দকার ফজলে রাব্বি,পিপিএম শিশু আয়েশার মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক ভাবে উক্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন!

এরই ধারাবাহিকতা উলিপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আশরাফুল আলম পিপিএম এর তত্ত্বাবধানে চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব নয়ন কুমার এর নেতৃত্বে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ও কুড়িগ্রাম ডিবি পুলিশ ও যৌথ অভিযানে তদন্তে প্রাপ্ত আসামী মোছাঃ কহিনুর বেগম ও তার স্বামী রাশেদুল ইসলাম আপেলকে গ্রেফতার করে! উক্ত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে!

তদন্তে জানা যায়, ভিকটিম আয়শা আক্তার পাশের বাসায় আসামি কহিনুর বেগমের ছেলের সাথে খেলার সময় কলম দিয়ে চোখে আঘাত পায় এবং রক্ত ক্ষরণ হতে থাকে! এসময় ভিকটিম চিৎকার চেচামেচি শুরু করলে আসামি কহিনুর বেগম ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে এবং এর ফলে ভিকটিম নিস্তেজ হয়ে মৃত্যু বরণ করে পড়ে তাকে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে রাখে! পরবর্তীতে রাত হলে ও বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর মরাদেহটি জমিতে ফেলে রাখে!

গ্রেফতারকৃত আসমি কহিনুর বেগম ও রাশেদুল ইসলমাম আপেলকে কুড়িগ্রাম জেলার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে আসামি কহিনূর বেগম দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির-(১৬৪)-ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করেন!

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার ও উলিপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আশরাফুল আলম, পিপিএম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চিলমারীতে শিশু হত্যার ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্র পুলিশ সুপার, কুড়িগ্রাম মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় চিলমারী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার যৌথ দল দ্রুততম সময়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন ও মূলঘাতকদেরকে
গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে!
এ হত্যাকান্ডে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে!

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কুড়িগ্রাম চিলমারীতে চাঞ্চল্যকর দুই বছরের শিশু আয়েশা হত্যার রহস্য উদঘাটন-গ্রেফতার দুই জন।

১১:০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী থানাধীন মাচাবান্ধা সাহাপাড়া এলাকার মোঃ আলমগীর হোসেন এর দুই বছরের শিশু কন্যা আয়শা আক্তার আশুরা

গত ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ইং তারিখ সকাল বেলা খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়!

পরবর্তীতে তার মরদেহ রাত আনুমানিক ০৯:৩০ ঘটিকায় পাশের একটি পরিত্যাক্ত জমি উদ্ধার করা হয়! শিশু আয়েশার নির্মম মৃত্যুতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়! এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা আলমগীর হোসেন অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে চিলমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং-০৪–ঘটনার তারিখ- ১৮/০৪/২০২৬!

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব খন্দকার ফজলে রাব্বি,পিপিএম শিশু আয়েশার মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক ভাবে উক্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন!

এরই ধারাবাহিকতা উলিপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আশরাফুল আলম পিপিএম এর তত্ত্বাবধানে চিলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব নয়ন কুমার এর নেতৃত্বে তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল ও কুড়িগ্রাম ডিবি পুলিশ ও যৌথ অভিযানে তদন্তে প্রাপ্ত আসামী মোছাঃ কহিনুর বেগম ও তার স্বামী রাশেদুল ইসলাম আপেলকে গ্রেফতার করে! উক্ত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে!

তদন্তে জানা যায়, ভিকটিম আয়শা আক্তার পাশের বাসায় আসামি কহিনুর বেগমের ছেলের সাথে খেলার সময় কলম দিয়ে চোখে আঘাত পায় এবং রক্ত ক্ষরণ হতে থাকে! এসময় ভিকটিম চিৎকার চেচামেচি শুরু করলে আসামি কহিনুর বেগম ভিকটিমের মুখ চেপে ধরে এবং এর ফলে ভিকটিম নিস্তেজ হয়ে মৃত্যু বরণ করে পড়ে তাকে প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে রাখে! পরবর্তীতে রাত হলে ও বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর মরাদেহটি জমিতে ফেলে রাখে!

গ্রেফতারকৃত আসমি কহিনুর বেগম ও রাশেদুল ইসলমাম আপেলকে কুড়িগ্রাম জেলার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে আসামি কহিনূর বেগম দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছায় বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির-(১৬৪)-ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করেন!

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার ও উলিপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আশরাফুল আলম, পিপিএম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চিলমারীতে শিশু হত্যার ঘটনার সংবাদ পাওয়া মাত্র পুলিশ সুপার, কুড়িগ্রাম মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় চিলমারী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার যৌথ দল দ্রুততম সময়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন ও মূলঘাতকদেরকে
গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে!
এ হত্যাকান্ডে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে!