ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

জুড়ীতে অর্গানিক গোস্ত বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন ফারুক ভান্ডারী,

মোঃ জাকির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
  • ০৪:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩
  • / 34

মোঃ জাকির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

 

জুড়ী উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ের কন্টিনালা বেলাগাঁও গ্রামের মোঃ ফারুক ভান্ডারী দীর্ঘদিন থেকে অর্গানিক গোস্ত বিক্রি করছেন। গোস্ত বিক্রি করে যে টাকা উপার্জন হয় তা দিয়েই তার সংসার চলে। তিনি হাকালুকি হাওরের বাতানে লালন পালনকৃত মহিষ ও গরু, বেপারিদের কাছ থেকে কিনে এনে কন্টিনালা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশের একটি স্থানে জবাই করে থাকেন। তার কাছ থেকে জুড়ী, কুলাউড়া, বড়লেখা ও বিয়ানীবাজার থেকে ক্রেতারা এসে গোস্ত কিনে নিয়ে যান।

ফারুক ভান্ডারী বৃহস্পতিবার ( ২৭ জুলাই ) সকালে প্রায় ছয় মুন ওজনের একটি মহিষ জবাই করেন। গোস্ত নিতে মোঃ আপ্তাব আলী,মো, আনু মিয়া, শাহজাহান মিয়া, মো, আবুল ঠিকাদার, ছোয়াব আলীসহ অনেকেই বলেন, তারা ফারুক ভান্ডারীর কাছ থেকে মহিষের গোস্ত কিনে নিতে এসেছেন। একেবারে হালাল উপায়ে মহিষ গরু জবাই করা হয়। তার গোস্ত খুবই মানসম্মত।

অনেক সময় ভেজাল, বাঁশি ও পচা গোস্ত নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি এমনকি মারামারিও হয়। ফারুক ভান্ডারির এ ধরনের উদ্যোগ ক্রেতাদের মধ্যে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

এ বিষয়ে ফারুক ভান্ডারী বলেন, গোস্ত বিক্রি করে টাকা উপার্জন করা বড় কথা নয়। মানুষকে অর্গানিক গোস্ত খাওয়াতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। মহিষ ও গরুর গোস্ত বিক্রি করে এ থেকে কিছু টাকা লাভ হয়। তা দিয়েই সংসার চালাই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জুড়ীতে অর্গানিক গোস্ত বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন ফারুক ভান্ডারী,

০৪:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩

মোঃ জাকির হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

 

জুড়ী উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ের কন্টিনালা বেলাগাঁও গ্রামের মোঃ ফারুক ভান্ডারী দীর্ঘদিন থেকে অর্গানিক গোস্ত বিক্রি করছেন। গোস্ত বিক্রি করে যে টাকা উপার্জন হয় তা দিয়েই তার সংসার চলে। তিনি হাকালুকি হাওরের বাতানে লালন পালনকৃত মহিষ ও গরু, বেপারিদের কাছ থেকে কিনে এনে কন্টিনালা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশের একটি স্থানে জবাই করে থাকেন। তার কাছ থেকে জুড়ী, কুলাউড়া, বড়লেখা ও বিয়ানীবাজার থেকে ক্রেতারা এসে গোস্ত কিনে নিয়ে যান।

ফারুক ভান্ডারী বৃহস্পতিবার ( ২৭ জুলাই ) সকালে প্রায় ছয় মুন ওজনের একটি মহিষ জবাই করেন। গোস্ত নিতে মোঃ আপ্তাব আলী,মো, আনু মিয়া, শাহজাহান মিয়া, মো, আবুল ঠিকাদার, ছোয়াব আলীসহ অনেকেই বলেন, তারা ফারুক ভান্ডারীর কাছ থেকে মহিষের গোস্ত কিনে নিতে এসেছেন। একেবারে হালাল উপায়ে মহিষ গরু জবাই করা হয়। তার গোস্ত খুবই মানসম্মত।

অনেক সময় ভেজাল, বাঁশি ও পচা গোস্ত নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি এমনকি মারামারিও হয়। ফারুক ভান্ডারির এ ধরনের উদ্যোগ ক্রেতাদের মধ্যে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

এ বিষয়ে ফারুক ভান্ডারী বলেন, গোস্ত বিক্রি করে টাকা উপার্জন করা বড় কথা নয়। মানুষকে অর্গানিক গোস্ত খাওয়াতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। মহিষ ও গরুর গোস্ত বিক্রি করে এ থেকে কিছু টাকা লাভ হয়। তা দিয়েই সংসার চালাই।