ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা

অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন,মোস্তাফিজুর রহমান চুন্নু

বিশেষ প্রতিনিধি
  • ০৫:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩
  • / 49

বিশেষ প্রতিনিধি 

 

পবিত্র ঈদ-উল আজহার উপলক্ষে সকল দেশবাসীকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন,

গণমাধ্যমে এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, মুসলমানদের ত্যাগ শিক্ষার জন্য বিশেষ দিন এটি। একইসঙ্গে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর ও সামাজিক সাম্য সৃষ্টির একটি উদাহরণও এই দিনটি।

ঈদ উল আযহা শব্দের অর্থ হলো ত্যাগের মহিমা। হযরত ইব্রাহিম যখন তার প্রিয় পুত্রকে কুরবানী দেওয়ার জন্য আরাফাতের ময়দানে নিয়ে যান তখন শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার হুকুম মোতাবে ক হযরত ইব্রাহিম এই ত্যাগ করেন। কিন্তু আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী সেদিন হযরত ইব্রাহিম এর পুত্র কুরবানী না হয় একটি পশু কুরবানী হয়েছিল। তখন থেকেই কুরবানী প্রচলন শুরু হলেও এখন আর সেই যুগ নেই।

তাই গতানুগতিক পদ্ধতিতে এখনো পশু কুরবানী দিতে হয় বা দেওয়া প্রচলন চালু হয়েছে। কিন্তু শুধুমাত্র পশু কুরবানী দেওয়াটাকেই কোরবানি বলে না। কুরবানির অর্থ হলো আমাদের মনের ভেতর যে পশুত্ব তো আছে সেই পশুত্বকে কুরবানী দিতে হবে। তাহলে আমরা খুব সুন্দর একটি সমাজ,স দেশ গঠন করতে পারব। কোরবানির ঈদের মাধ্যমে আমরা যে ত্যাগের চর্চা করি, নিজেদের আশেপাশের অসহায়-দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়াই। তাহলেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে সবার মধ্যে। সবাইকে
অগ্রিম ঈদ মোবারক!

সবার মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে
পড়ুক প্রতিটি পরিবারের।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন,মোস্তাফিজুর রহমান চুন্নু

০৫:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুন ২০২৩

বিশেষ প্রতিনিধি 

 

পবিত্র ঈদ-উল আজহার উপলক্ষে সকল দেশবাসীকে ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন,

গণমাধ্যমে এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, মুসলমানদের ত্যাগ শিক্ষার জন্য বিশেষ দিন এটি। একইসঙ্গে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর ও সামাজিক সাম্য সৃষ্টির একটি উদাহরণও এই দিনটি।

ঈদ উল আযহা শব্দের অর্থ হলো ত্যাগের মহিমা। হযরত ইব্রাহিম যখন তার প্রিয় পুত্রকে কুরবানী দেওয়ার জন্য আরাফাতের ময়দানে নিয়ে যান তখন শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার হুকুম মোতাবে ক হযরত ইব্রাহিম এই ত্যাগ করেন। কিন্তু আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী সেদিন হযরত ইব্রাহিম এর পুত্র কুরবানী না হয় একটি পশু কুরবানী হয়েছিল। তখন থেকেই কুরবানী প্রচলন শুরু হলেও এখন আর সেই যুগ নেই।

তাই গতানুগতিক পদ্ধতিতে এখনো পশু কুরবানী দিতে হয় বা দেওয়া প্রচলন চালু হয়েছে। কিন্তু শুধুমাত্র পশু কুরবানী দেওয়াটাকেই কোরবানি বলে না। কুরবানির অর্থ হলো আমাদের মনের ভেতর যে পশুত্ব তো আছে সেই পশুত্বকে কুরবানী দিতে হবে। তাহলে আমরা খুব সুন্দর একটি সমাজ,স দেশ গঠন করতে পারব। কোরবানির ঈদের মাধ্যমে আমরা যে ত্যাগের চর্চা করি, নিজেদের আশেপাশের অসহায়-দরিদ্র মানুষদের পাশে দাঁড়াই। তাহলেই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়বে সবার মধ্যে। সবাইকে
অগ্রিম ঈদ মোবারক!

সবার মাঝে আনন্দ ছড়িয়ে
পড়ুক প্রতিটি পরিবারের।