পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিধবা নারীর ভাতার টাকা নিজের মোবাইল নম্বরে নিয়ে উত্তোলনের অভিযোগের তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর ছয় বছরের পুরো টাকা ফেরত দিয়েছেন অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. আব্দুল খালেক।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গণশুনানিতে তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন ও উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ইউএনওর নির্দেশে ওই টাকা ফেরত দেন তিনি।
জানা গেছে, উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিধবা রহিমা বেগমের ভাতার টাকা প্রায় ছয় বছর ধরে ইউপি সদস্য মো. আব্দুল খালেকের মোবাইল নম্বরে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
বিষয়টি নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে রহিমা বেগমের ছেলে জহিরউদ্দিন উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন।
অভিযোগের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আবু রায়হানকে তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
এরপর বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় গণশুনানি। সেখানে তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনের পাশাপাশি অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বক্তব্য শোনা হয়। শুনানি শেষে ইউএনওর নির্দেশে ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক বিধবা রহিমা বেগমের ছয় বছরের ভাতার পুরো টাকা ফেরত দেন।
রহিমা বেগমের ছেলে জহিরউদ্দিন বলেন, ‘আমাদের ডেকেছিল। ইউএনও স্যার বলেছেন, মেম্বারের যা শাস্তি দেওয়া লাগে, তারাই দেবেন। তাঁর কথা অনুযায়ী আমার মায়ের ছয় বছরের টাকা মেম্বার বুঝিয়ে দেন।
দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর উভয় পক্ষকে ডেকে তাদের কথা শুনি। ইউপি সদস্যের নম্বরে নিয়মিত ভাতার টাকা গেছে এবং সেটা উত্তোলন করা হয়েছে। অভিযুক্ত ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখব। গত ছয় বছর বৃদ্ধা যে ভাতার টাকা পেতেন, তাঁর সম্মতিতে ইউপি সদস্য সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন।’
চেয়ারম্যান: নাজমুল হক ভূইয়া
সম্পাদক: মোঃ গোলাম রাব্বানী, প্রকাশক: শাহীনুর আক্তার
সম্পাদকীয় বার্তা কার্যালয়:
৬৫৭, হাজী সলিমুল্লাহ রোড, নামা শ্যামপুর,
ফরিদাবাদ, কদমতলী, ঢাকা-১২০৪।
স্বত্ব © ২০২৬ লোকালয় বার্তা