পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিসত্তার উৎসব এখন থেকে আর এক নামে ‘বৈসাবি’ বলা হবে না। প্রতিটি সম্প্রদায় তাদের নিজস্ব নাম ও ঐতিহ্য অনুযায়ী উৎসব পালন করবে। এমন ঘোষণা দিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি।
বৃহস্পতিবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে মোট ১১টি ভিন্ন সম্প্রদায় রয়েছে। তাদের সবার উৎসব এক নামে ডাকা ঠিক নয়। এতে অনেকের নিজস্ব সংস্কৃতি ও পরিচয় চাপা পড়ে যায়। তাই এখন থেকে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান—সব উৎসব নিজ নিজ নামে পালিত হবে এবং সরকারিভাবে সম্মান দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এসব উৎসব পার্বত্য এলাকার মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যেমন, ১২ এপ্রিল ‘ফুল বিজু’ দিনে মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। ১৩ এপ্রিল ‘মূল বিজু’ এবং ১৪ এপ্রিল মারমা সম্প্রদায়ের ‘জলকেলি’ উৎসবের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। এই উৎসবগুলো শুধু পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নয়, বরং পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সম্প্রীতির প্রতীক।
এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, সরকার চায় সব সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি বজায় থাকুক এবং সবাই একসঙ্গে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাক।
জানা গেছে, আগামী ১২ এপ্রিল সকালে রাজধানীর বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স থেকে রমনা পার্ক পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও ফুল উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
চেয়ারম্যান: নাজমুল হক ভূইয়া
সম্পাদক: মোঃ গোলাম রাব্বানী, প্রকাশক: শাহীনুর আক্তার
সম্পাদকীয় বার্তা কার্যালয়:
৬৫৭, হাজী সলিমুল্লাহ রোড, নামা শ্যামপুর,
ফরিদাবাদ, কদমতলী, ঢাকা-১২০৪।
স্বত্ব © ২০২৬ লোকালয় বার্তা