প্রিন্ট এর তারিখঃ মে ১৪, ২০২৬, ৩:১৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১০, ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ
প্রবাসী কার্ডে রেমিটেন্স ভাতা সংযুক্ত করার জোর দাবি,
প্রবাসী কার্ডে রেমিটেন্স ভাতা সংযুক্ত করার জোর দাবি
ভিক্ষার থালা নয়, রেমিটেন্স ভাতা দিন”
দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং সদস্য সচিব এম এ রউফ (Qatar) প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জন্য প্রবাসী কার্ডের সাথে “রেমিটেন্স ভাতা” সংযুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হলো প্রবাসী রেমিটেন্স। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কঠোর পরিশ্রম, ঝুঁকি, নিঃসঙ্গতা ও মানবেতর জীবনযাপন করে কোটি কোটি প্রবাসী বাংলাদেশি দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখছেন।
তাদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে দেশের রিজার্ভ শক্তিশালী হয়, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। অথচ জীবনের শেষ সময়ে অনেক প্রবাসীই অবহেলা, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাতে বাধ্য হন।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আমাদের সংগঠনের ছয় দফা দাবির অন্যতম একটি ছিল “প্রবাসী কার্ড” চালু করা। সরকার নীতিগতভাবে এই কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। এজন্য আমরা সরকার প্রধান জনাব তারেক রহমান এবং মাননীয় মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরী সাহেবকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
তবে প্রবাসীদের বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকার হিসেবে “ডাল-ভাতের রেমিটেন্স ভাতা” এখনো উপেক্ষিত রয়েছে। তাই আমরা সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাই, যেন এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রবাসী কার্ডের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রবাসীরা কোনো করুণা বা ভিক্ষা চান না।
তারা চান তাদের শ্রম, ত্যাগ ও রেমিটেন্স অবদানের ন্যায্য মূল্যায়ন। একজন প্রবাসী দীর্ঘ ২০-৩০ বছর বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করার পর দেশে ফিরে অনেক সময় আর্থিক নিরাপত্তাহীনতা, অসুস্থতা এবং সামাজিক অবহেলার শিকার হন। অনেকের সন্তানরা আলাদা সংসার গড়ে তোলে, উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যায়, অথচ বার্ধক্যে ন্যূনতম
সম্মানজনক জীবনযাপনের নিশ্চয়তা থাকে না। এই বাস্তবতা বিবেচনায় প্রবাসীদের জন্য একটি স্থায়ী রেমিটেন্স ভাতা অত্যন্ত জরুরি।
নেতৃবৃন্দ বলেন, “প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের হাতে ভিক্ষার থালা নয়, রেমিটেন্সের ভাতা দিন।
এই ভাতা কোনো দয়া নয়, বরং দেশের অর্থনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি ও ন্যায্য অধিকার।
তারা আরও উল্লেখ করেন, প্রবাসী কার্ড বা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদ কার্ড ইতোমধ্যে প্রবাসীদের জন্য নানা গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা নিশ্চিত করছে। এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ, শিক্ষাবৃত্তি, সহজ ব্যাংকিং সুবিধা,
আইনি সহায়তা, বিমানবন্দরে বিশেষ সেবা এবং প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এসব সুবিধার পাশাপাশি যদি একটি ন্যূনতম “রেমিটেন্স ভাতা” সংযুক্ত করা হয়, তাহলে হাজার হাজার অসহায় ও অবসরপ্রাপ্ত প্রবাসী সম্মানের সাথে জীবনযাপন করতে পারবেন।
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ মনে করে, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা রক্ষায় প্রবাসীদের অবদানও অনস্বীকার্য। তাই প্রবাসীদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং বার্ধক্যের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিদাতা:
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
desh.bondhu@hotmail.com
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ
এম এ রউফ (Qatar)
সদস্য সচিব, কেন্দ্রীয় কমিটি
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদ
Roufnasrin@gmail.com.
00974 66958035 সভাপতি কেন্দ্রীয় কমিটি মহিলা বাংলাদেশ,লায়ন শাহিদা পারভীন রতনা
Shahida Parvin@ gmail,
সম্পাদক: মোঃ গোলাম রাব্বানী, প্রকাশক: নাজমুল হক ভূইয়া
সম্পাদকীয় বার্তা কার্যালয়:
৬৫৭, হাজী সলিমুল্লাহ রোড, নামা শ্যামপুর,
ফরিদাবাদ, কদমতলী, ঢাকা-১২০৪।
স্বত্ব © ২০২৬ লোকালয় বার্তা