সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

৫৩ তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাবান্ধা এবং ফুলবাড়ি বিজিবি- বিএসএফের যৌথ রিট্রিট সিরিমনি প্যারেড অনুষ্ঠিত

খাদেমুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম

 

৫৩তম স্বাধীনতা জাতীয় দিবস
উদযাপন উপলক্ষ্যে বাংলাবান্ধা এবং ফুলবাড়ি আন্তর্জাতিক সীমান্তে চেকপোস্ট নোম্যানস ল্যান্ডে
বিজিবি- বিএসএফের যৌথ রিট্রিট সিরিমনি প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ ) বিকেলে
১৮ বিজিবির পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর জিরোপয়েন্ট ও ১৭৬ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের ফুলবাড়ি আইসিপিতে এই যৌথ রিট্রিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।এতে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্বে

ছিলেন বিজিবির উত্তর পশ্চিম রিজিয়ন রংপুরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার শফিকুজ্জামান
(বিএসপি, পিএসসি) ও ভারতের পক্ষে বিএসএফের নর্থ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার আইজি শ্রী সুরিয়া কান্ত শর্মা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবির ঠাকুরগাঁওয়ের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল

মোঃ এম এইচ হাফিজুর রহমান (এসপিপি, পিএসসি)পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের লে. কর্নেল জুবায়েদ হাসান, ও শিলিগুড়ি সেক্টর বিএসফের ডিআইজি শ্রী পরশু রাম, ১৭৬ ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত কমান্ড্যান্ট শ্রী হরিশ চন্দ্রসহ বিজিবি-বিএসএফের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সিরাজুল হুদা মডেল থানা ওসি সুজয় কুমার
প্রমুখ।আরো উপস্থিত ছিলেন ভারত- বাংলাদেশের গনমাধ্যম কর্মীসহ সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় রাজনৈতিক, ব্যক্তিবর্গ,।

বন্ধুপ্রীতি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত-
ভ্রাতৃত্বের সেতুবন্ধনের হিসেবে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে শুভেচ্ছা উপহার মিষ্টি সামগ্রী বিতরণ করা হয়। পরে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে রিজিয়ন কমান্ডার, বিজিবি, উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন, রংপুর ও আইজি বিএসএফ, নর্থ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার বিজিবি ও বিএসএফ কন্টিজেন্টের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন। এ সময় বিজিবি-বিএসএফ প্যারেড কন্টিনজেন্ট চমকপ্রদ ও মনোমুগ্ধকর প্যারেড প্রদর্শন করেন। বিজিবি-বিএসএফের চমকপ্রদ ও মনোমুগ্ধকর প্যারেড উপভোগ করতে বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যটকরা দেখতে ভিড় জমান।

বিজিবির রিজিয়ন কমান্ডার ও বিএসএফ ফ্রন্টিয়ার কমান্ডার অভিমত প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গ বন্ধু মত ত্যাগী মহান নেতা কোথাও নেই
এ ধরণের দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন ও মানুষকে দেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে।

রিট্রিট সিরিমনি’ প্যারেডে বিজিবি-বিএসএফ এর কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ উভয় দেশের সর্বস্তরের জনগণ দর্শনার্থী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশ-ভারতের জনগণের মধ্যে যে বন্ধুপ্রতিম ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত হয়েছিলো সেই ভাতৃত্ববোধ সম্প্রসারণের পাশাপাশি উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ বৃদ্ধির অংশ হিসেবে এ ‘রিট্রিট সিরিমনি’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নোম্যান্সল্যান্ডে কুচকাওয়াজ, জাতীয় পতাকা নামানো, মিষ্টি ও উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয় বিএসএফ কর্মকর্তাদের হাতে।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন