শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১

৩৬ ঘণ্টার মধ্যে কাবুলে আবারও হামলা হতে পারে: বাইডেন

ঢাকা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, মার্কিন সামরিক কমান্ডাররা কাবুলে আবারও হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন। ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এ হামলা হতে পারে।

গতকাল শনিবার বাইডেন এ সতর্কতার কথা বলেন। চূড়ান্তভাবে আফগানিস্তান ত্যাগের একদম শেষ পর্যায়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন সময়ে দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে কাবুলে আরেকটি সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার বিষয়ে সতর্কতা এল।

বাইডেন বলেন, আফগান পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা প্রবল। মার্কিন কমান্ডাররা তাঁকে জানিয়েছেন যে আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে হামলার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

কাবুলের মার্কিন দূতাবাস এক সতর্কবার্তায় বলেছে, একটি সুনির্দিষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য হুমকির কারণে কাবুল বিমানবন্দরের আশপাশের সব মার্কিন নাগরিকের অবিলম্বে এই এলাকা ত্যাগ করা উচিত।

গত বৃহস্পতিবার কাবুলের হামিদ কারজাই বিমানবন্দরের বাইরে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়। এ হামলায় ১৩ মার্কিন সেনাসহ অন্তত ১৭০ জন নিহত হন। এ হামলার দায় স্বীকার করেছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আইএসের আফগান শাখা আইএসকেপি।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, কাবুলে বিমানবন্দরের বাইরে হামলার জেরে তারা আইএসকেপিকে নিশানা করে আফগানিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এ হামলায় আইএসকেপির বড় মাপের দুই সদস্য নিহত হয়েছে। হামলায় কোনো বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়নি।

বিজ্ঞাপন

তালেবানের এক কমান্ডারের বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানিয়েছে, হামলায় জড়িত সন্দেহে আইএসকেপির কয়েক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

৩১ আগস্টের মধ্যে আফগানিস্তান ছাড়বে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকা সত্ত্বেও তারা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাবুল থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেবে।

যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষকে কাবুল বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে নিয়েছে বলে গতকাল মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানায়।

বিজ্ঞাপন

কাবুলের বিমানবন্দর থেকে লোকজন সরিয়ে নেওয়ার অভিযান শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল কাবুল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারও শুরু হয়েছে।

তালেবান ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর দেশটি থেকে নিজ নিজ দেশের নাগরিক ও তাঁদের হয়ে কাজ করা আফগানদের সরিয়ে নেওয়া শুরু করে বিভিন্ন দেশ।

বিজ্ঞাপন

থেকে আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন