মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

শিবগঞ্জে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে ভাইয়ের হাতে আপন ভাইকে হত্যার অভিযোগ

রাব্বী হাসান সুমন শিবগঞ্জ (বগুড়া) ষ্টাফ রিপোর্টার

 

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার রায়নগর ইউনিয়নের ঘাগুরদুয়ার গ্রামে ভাই ভাইয়ের মধ্যে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে মারপিট। ঘটনা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে শাহিনুর (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে লাঠির আঘাতে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে। গত বুধবার (২৬ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রায়নগর ইউনিয়নের ঘাগুরদুয়ার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহিনুর রহমান ওই গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে।

শিবগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জিল্লুর রহমান জানান, ঘাগুরদুয়ার গ্রামের বাসিন্দা শাহিনুরের সঙ্গে একই গ্রামের আপন ভাতিজা মেহেদী (২৬) ও চাঁন মিয়ার ছেলে শহিদুল ইসলামের সাথে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনা ঘটে। বাড়ির পাশে হেলাল নামের এক ব্যক্তির একটি ডাবগাছ থেকে ডাব পাড়া নিয়ে শাহিনুরের সঙ্গে মেহদীর বাগবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে মেহেদী ও তার বাবা শহিদুল ইসলাম সজোড়ে মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা বগুড়ার শহিদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুরুরি বিভাগে ভর্তি করান। শাহিনুরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে আই.সি.ইউতে ভর্তি করানো হয়। অদ্যই (২৯ মার্চ) শুক্রবার সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়। মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়।এবং হত্যাকারী শহিদুল ও তার ছেলে মেহেদী হাসান এলাকা থেকে পালাতে গেলে গ্রামবাসী ধরিয়ে ফেলে।

এমনতো অবস্থায় সাংবাদিক ও প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই এলাকার মোড়ল মিঠু ও শহিদুল পিতা অজ্ঞাত পেশিশক্তি দেখিয়ে গ্রামবাসীর কাছ থেকে শাহিনুর হত্যাকারীদের ছিনিয়ে নেই ও পালাতে সহযোগিতা করেন বলে এলাকাবাসী জানান ।

তারা আরও বলেন, শাহিনুর একজন নিরহ ও ভদ্র ছেলে সে রায়নগর মসলা গবেষনা কেন্দ্রে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেন। পাশাপাশি ছোট্ট একটি মুদি দোকান রয়েছে। তাকে হত্যা করায় স্ত্রী সহ তিন সন্তান এতিম হয়ে যায়। এ ঘটনায় হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে ফাঁশি চাই। যারা হত্যাকারীদের পালাতে সহযোগিতা করছে তাদের কে দ্রুত আইনের আওতায় এনে তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তির দাবি জানায়।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রউফ বলেন,ঘটনা জানার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে তদন্ত ওসি জিল্লুর রহমান সহ বিট অফিসার তোজাম্মেল হক, এস আই সোরাব পৌঁছালে মেহেদী হাসান তার বাবা শহিদুল সহ মিঠু পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন মামলা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন