মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

যে মাটিতে জীবনের শৈশব থেকে কৈশর কেটেছে, সে মাটির গন্ধ কখনো ভোলা যায় না,

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

 

 

হ্যাঁ, যার কথা বলছি তিনি সদ্য যোগদানকৃত ডিএমপি কমিশনার জনাব হাবিবুর রহমান বিপিএম -বার, পিপিএম-বার মহোদয়। গতকাল ডিএমপি কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আজকে ছুটে আসেন তাঁর নিজ জন্মভূমি গোপালগঞ্জের মাটিতে। সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে চলে যান সরাসরি জাতির পিতার সমাধিস্থলে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আসেন গোপালগঞ্জ পৌরসভাস্থ নিচুপাড়ার নিজ বাড়িতে। নিজ বাড়িতে আসার পর বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে সকল প্রটোকল ভেঙ্গে ছুটে চলেন বাড়ির এদিক থেকে ঐদিকে। কুশল বিনিময় করেন নিজ প্রতিবেশী ছোট থেকে বড় সবার সাথে। যেন কারো বুঝার সাধ্য নাই যে, তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় ইউনিটের কর্ণধার। মিশে যান সকলের সাথে একজন সাদামাটা মানুষের মতো। এরপর সবার সাথে বসে দুপুরের খাবার খেয়ে চলে যান নিজ জন্মস্থান গোপালগঞ্জের চন্দ্রদিঘলিয়া গ্রামে। যেখানে চির নিদ্রায় শায়িত আছেন তাঁর বাবা-মা। বাবা মায়ের কবর জিয়ারত করেন। চন্দ্রদিঘলিয়াতে এসে গাড়ি থেকে নামার সাথে সাথে হাজারো মানুষের ভিড়। গ্রামের সকল মানুষের সাথে মিশে যান নিজের মতো করে। বাবা মায়ের কবর জিয়ারত করে চন্দ্রদিঘলিয়া ইউপি প্রাঙ্গণে গ্রামের মানুষের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন ডিএমপি কমিশনার মহোদয়। তিনি তাঁর নিজ গ্রামের মানুষের ভালবাসায় এতটাই কৃতার্থ হন যে, মানুষের ভিড় আর তীব্র গরম উপেক্ষা করেও দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকে বক্তব্য প্রদান করেন এবং তাঁর গ্রামের মানুষের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সেখান থেকে বিদায় নিয়ে চলে যান তাঁর নিজের হাতে গড়া মা-বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাবেয়া -আলী গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে। সেখানে গিয়ে শিক্ষকদের সাথে কুশল বিনিময় করে, প্রতিষ্ঠানের খোঁজখবর নিয়ে সফর সঙ্গীদের সাথে নিয়ে পুণরায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা করেন ডিএমপি কমিশনার মহোদয়।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন