রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

মোঃ আব্দুর রব তৃণমূল আওয়ামীলীগের একজন অন্যতম কর্মীর করুণ ইতিহাস

মোঃ শাহাদাত হোসেন স্টাফ রিপোর্ট

 

আব্দুর র ব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মিরপুর ১১ ওয়ার্ড নম্বর তিন থানা পল্লবী মিরপুর। ৩ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের তৃণমূল একজন কর্মী। তার জীবনী অত্যন্ত করুন ও বেদনাদায়ক তিনি ২০০৬ সালে মিছিল সহকারে ৩২ নম্বরে যাবার পথে বিএনপিও জামাতে সন্ত্রাস গ্রুপ তাকে গুরুতরভাবে আহত করে। পরিশেষে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর সুস্থ হয়ে সে আবার ফিরে এসে নতুনভাবে আবার তার দল গোছানো শুরু করে। নিজের বসত বাড়ি সব বেঁচেও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে লোকজন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। জেল জুলুম থেকেও কখনো তাকে আওয়ামী লীগ থেকে সরাতে কেউ পারেনি। বসুন্ধরা গ্রুপে চাকরি করতেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ করে তার সেই চাকরি হতে তাকেছাটাই করা হয়। এরপর আরেকটি কোম্পানিতে চাকরি নাই সেখানে একই রকম ভাবে তাকে ছাটাই করা হয়। তারপরও সেখানে থাকে নি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক শেখ হাসিনার একান্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে ২০০৬ সালে বিএনপি জামাত এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে গেছেন এই আব্দুর রব। একটি ছেলে মাদ্রাসা পড়তো কিন্তু অর্থের অভাবে তাকে মাদ্রাসা থেকে ছাড়িয়ে নেয় কাজে লাগায় এমনকি আর একটি ছেলের ছোট তাকে স্কুলে না দিয়ে কাজে দেয় খেয়ে না খেয়ে তিনি দলের জন্য যে অবদান রেখেছে এটা একটি অনন্য। তিনি বলেন আমার চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। আজ আমাদের দল ক্ষমতায়। আমরা তৃণমূল কর্মী আমাদের কোনরকম মূল্যায়ন করা হয় না বরঞ্চ লাঞ্ছিত ও অবহেলিত হতে হয়। তিনি বলেন আমি কোন টাকা পয়সা চাই না আমি এবং আমার সাথে সেদিন যারা আহত হয়েছিল তাদের একটু মূল্যায়ন দিক এটাই আমার প্রাপ্য। সে খেয়ে না খেয়ে দ্বাদশ নির্বাচনে বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন এবং দিনরাত তিনি কেটেছেন। আজ সে অসহায় টাকা-পয়সা বলতে তার কিছুই নেই তবুও তিনি কখনো বিচলিত হন না তিনি চান একটি সুন্দর ভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মীদের যাতে মূল্যায়ন করা হয় এটাই তার প্রাপ্য। চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের গণতন্ত্রের মানসকন্যা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন তৃণমূলদের মূল্যায়ন করতে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে আমাদের মত তৃণমূল কর্মীরা মূল্যায়ন পাচ্ছে না। এবং তিনি এই কথাগুলো বলার সময় দু চোখ বেয়ে অঝোর ধারায় চোখের পানি ঝরছিল।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন