মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

মুক্তিযোদ্ধাকে নির্যাতনকারী আবুল হোসেন এর বিরুদ্ধে আদালতে পুলিশের চার্জশিট ,

বিশেষ প্রতিনিধি, নূর হোসাইন,

 

আমার সংবাদ পত্রিকায় মুক্তিযোদ্ধাকে নির্যাতনের সংবাদ প্রকাশ করার দুইদিন পর নির্যাতনকারী আবুল হোসেন মোড়ল কে পুলিশ গ্রেফতার করে সাতক্ষীরার আদালতে সোপর্দ করে। গত 8 নভেম্বর ২০২২ ইং বীর মুক্তিযোদ্ধা আরশাদ আলী মোড়ল, পিতা মৃত – জয়নদ্দীন মোড়ল সাং পশ্চিম নারায়নপুর , থানা কালিগঞ্জ জেলা সাতক্ষীরা তার অভিযোগ ১০ থেকে ১১ জন লোক নিয়ে একই এলাকার আবুল হোসেন মোড়ল পিতা আদর আলী মোড়ল, বীর মুক্তিযোদ্ধার বসত বাড়িতে ঢুকে সরকারি ভাবে বরাদ্দ দেওয়া ঘর তুলতে বাধা প্রদান করেন এবং তার কথা না শোনায়, মারধর করে বীর মুক্তিযোদ্ধা আরশাদ আলী মোড়লসহ আরো কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে জখম করেন , তখন মুক্তিযোদ্ধা আরশাদ আলী মোড়ল থানায় অভিযোগ করেছিল কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি এরপর তিনি চার মাস বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বিচার না পেয়ে অবশেষে ঢাকায় এসে মুক্তিযোদ্ধা নেতাদের কাছে তাকে অপমান ও মার পিট এর ঘটনা বলা কালিন উক্ত স্থানে সাংবাদিকও উপস্থিত ছিলেন এরপর বিষয়টি নিয়ে দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকায় গত ১১ মার্চ “জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধার অপমান কাম্য নয়” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে প্রশাসন নড়েচড়ে বসে একপর্যায়ে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানায় নির্যাতনকারী আবুল হোসেন মোড়ল সহ আরো পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নং ১৬ রুজু করে তাৎক্ষণিক আবুল হোসেন মোড়ল পিতা আদর আলী মোড়ল সাং নারায়নপুর কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা কে পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয় এবং ১৩ মার্চ ২০২৩ ইং আবুল হোসেন মোড়লকে পুলিশ আদালতে সোপর্দ করার পর সাতক্ষীরার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী -২ আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন । নির্যাতিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আরশাদ আলী মোড়ল বলেন সে জামিন পাওয়ার পর তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন । আরশাদ আলী মোড়ল বলেন আমি এখন নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি, যেকোনো মুহূর্তে আবুল হোসেন মোড়ল আমার উপর আক্রমণ করতে পারে তাই তিনি প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতাও কামনা করেন । দীর্ঘ ১ মাস তদন্ত শেষে অবশেষে আবুল হোসেন সহ বিবাবীদের বিরুদ্ধে ১৪৩, 88৭ ৩২৩, ৫০০ ,৫০৬ ধারায় আদালতে পুলিশের চার্জশিট প্রদান ।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন