বুধবার, ২২ মে ২০২৪

বড়লেখায় জায়গা ক্রয় করা রাস্তায় বাঁশের বেড়াএলাকায় তোলপাড়

স্টাফ রিপোর্টার

মৌলভীবাজারের বড়লেখা গজভাগ গ্রামে ১২ পরিবারের শতাদিক মানুষের যাতায়াতের রাস্তা ৩ শতক জায়গা ক্রয় করে করা হয় । প্রায় দেড যুগ পর রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। অপর পক্ষের দাবি ২৫ হাজার টাকা দিলে রাস্তা খুলে দেয়া হবে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ ১৪ বছর আগে রাস্তার জায়গা ক্রয় করা হলো এখন টাকা দেওয়া প্রশ্নই আসে না। এলাকায় এ নিয়ে তোলপাড় চলছে। ভুক্তভোগীরা
প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ নিকট জোরালো দাবী তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে।

সরেজমিনে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ ভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের গজভাগ গ্রামে গিয়ে জানা যায় ২০১০ সালে গজভাগ গ্রামের মৃত মস্তকিন আলীর স্ত্রী সামছুন নাহার গংরা ৩ শতক জায়গা বিক্রি করেন মোঃ মছদ্দর আলীর ছেলে মোঃ ইমান উদ্দিনের নিকট, তিনি জায়গা ক্রয় করে যাতায়াতের রাস্তা করেন পরে অনেক মাটি ভরাট সহ উন্নয়ন কাজ করেন।
প্রায় দেড যুগ থেকে ১২ পরিবারের শতাদিক লোকজন চলাফেরা করছেন। বেশ কয়েক দিন থেকে

মস্তকিন আলীর ছেলে তামোজ আলী ওরফে তাগার রাস্তায় বেড়া নিয়ে ও ময়লা আবর্জনা ফেলে রাখছেন এতে লোকজন যাতায়াত করতে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকার লোকজন জানান আমরা কয়েক দফা তাগারকে বলছি রাস্তা থেকে বেড়া তুলে দিতে আর রাস্তায় ময়লা আবর্জনা না ফেলতে তিনি আমাদের কাউর কথা শুনছেন না। আমরা তাদের বলছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত অভিযোগ করতে বলেছি।

ভুক্তভোগী সুরমান উদ্দিন, ছাদ উদ্দিন, হায়াতুন বেগম, জাবেদ, আব্দুল জব্বার, রেদুয়ান আহমেদ, হাবিব আলী, আসুক মিয়া,মাসুক মিয়া, আব্দুল বারিক , মহিবুর রহমান, হোসেনের মেয়ের জামাই উনারা জানান, এই রাস্তা দিয়ে প্রায় দেড় যুগ ধরে আমরা চলাচল করে আসছি। গত এক সপ্তাহ আগে রাস্তার মালিকানা দাবি করে মৃত মস্তকিন আলীর ছেলে তামোজ আলী ওরফে তাগার আলী বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেয়।

আরো জানা যায়, রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় তাদের অন্য একটি রাস্তা দিয়ে ঘুরে যেতে হচ্ছে। ওই রাস্তা দিয়ে গ্রামের অনেক মানুষ মাঠে যান। তারাও মাঠে যেতে পারছেন না। আমরা১২ পরিবার বর্তমানে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পরিবার নিয়ে বসবাস করছি। আমরা দ্রুত চলাচলের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

মৃত মস্তকিন আলীর ছেলে তাগার আলী বলেন এ রাস্তায় হাটতে হলে আমরা নতুন করে ২৫ হাজার টাকা দিতে হবে নায় রাস্তা বন্ধ রাখা হবে।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন