বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানালেন তাপস

মোঃ জাকির হোসেন স্টাফ রিপোর্টের

 

 

স্মার্ট বাংলাদেশ :উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান। শেখ হাসিনাতে আস্থা- এটাই ৭৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মূল স্লোগান।

শিক্ষা শান্তি প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ—
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে আমি জুড়ী উপজেলার ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী সমর্থক এবং শুভাকাঙ্খীসহ সমগ্র বাংলাদেশের ছাত্রলীগের ভাই-বন্ধু,সহযোদ্ধাদের,সহকর্মীদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বিশ্বের শোষিত এবং নির্যাতিত মানুষের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের মহান নেতা,
শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে
আমি স্মরণ করছি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক নাঈম উদ্দিন আহমেদকে স্মরণ করছি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দবিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খালেক নেওয়াজ খানসহ যারা ইতি মধ্যে আামাদের ছাড়ে চলে গেছেন। আমি সহমর্মিতা প্রকাশ করছি বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে আজ অব্দি পর্যন্ত যারা পঙ্গুত্ব অবস্থায় জীবনযাপন করছেন তাদের সকালের প্রতি। প্রতিষ্টার পর থেকে আজ পর্যন্ত এদেশের সকল আন্দোলন
সংগ্রামে, নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,
ভোট-ভাতের থেকে শুরু করে স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা
প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে বিজয়গাঁথার ইতিহাস আছে।

(৫২)বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, (৬২)বাষট্টির শিক্ষা কমিশন’ আন্দোলন, ৬৮
আগরতলা মামলা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে,৭০ সাধারণ নির্বাচন, ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের জীবন উৎসর্গ করছে।
২০১৪ সালের পাঁচই জানুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি জামাতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রুখে দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

প্রথম দিকে এর নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ।
সদর দপ্তর ছিল- ২৩ বঙ্গবন্ধু এভেনিউ,স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাঙালির জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং
ধর্মনিরপেক্ষতা সাথে বজায় রেখে নামকরন করা হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
দুই একটা বিচ্ছিন্ন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শিরোনাম হয়ে থাকে ছাত্রলীগ। তবুও দিনশেষে ছাত্র- সমাজের নির্ভরতার নিশ্চয়তা একমাত্র ঠিকানা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
করোনা কালীন সময়ে ছাত্রলীগ উল্লেখযোগ্য মানবিক কাজগুলো সারা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মন কেড়ে নিয়েছে—হ্যালো অ্যাম্বুলেন্স সেবা, জয় বাংলা অক্সিজেন সেবা, কৃষকের ধান কাটা,
বন্যার সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক থেকে সামগ্রী বিতরণ। মাস ব্যাপী ইফতার সামগ্রী বিতরণ, সেহরির ব্যবস্থা করুনসহ অসংখ্য কাজ করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এদেশে এজাতির যখন কোন দুর্যোগ মহামারী, খরা, বন্যা ইত্যাদি দেখা দেয় ঠিক তখনই মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

৫৬ হাজার বর্গমাইলের ভূখন্ডের কথা যদি চিন্তা করতে হয় তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কথা চিন্তা করতে হবে। যদি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা চিন্তা করতে হয় তাহলে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের কথা চিন্তা করতে হবে। যদি বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা চিন্তা করতে হয় তাহলে জননেত্রী বিদ্যানন্দিনী শেখ হাসিনা কথা চিন্তা করতে হবে। আর বাংলাদেশের আন্দোলন সংগ্রামের কথা চিন্তা করতে হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কথা চিন্তা করতে হবে। যদি সাধারন শিক্ষার্থীর ন্যায্য অধিকারের কথা চিন্তা করতে হয় তাহলে ছাত্রলীগের কথা চিন্তা করতে হবে।।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আজ শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের স্বনির্ভরতার ও নিশ্চয়তার প্রতিষ্ঠান হিসেবে আবির্ভাব হয়েছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য ছাত্রলীগ হচ্ছে প্রথম এবং প্রধান ভ্যানগার্ড।
এই সংগঠনের নেতাকর্মীদে মত এত ত্যাগ-তিতিক্ষা অন্য কোন সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে নেই।
তাইতো কোটি প্রাণের কোটি তরুণের আবেগ এবং অনুভূতির শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন এবং মিশন বাস্তবায়নের জন্য স্মার্ট বাংলাদেশ বির্নিমানে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় প্রস্তুত আছে।
৭ জানুয়ারি আমরা-ভোট উৎসবের জন্য ,শেখ হাসিনার জন্য, নৌকার জন্য, স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য আমরা লড়তে চাই।
আমাদের একটামাত্র টার্গেট OnceAgainSeikhHasina
শেখ হাসিনাতে আস্থা- এটাই হবে ৭৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর মূল স্লোগান।শুভ জন্মদিন আমার পাঠশালা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তাপস দাস
সাবেক যুগ্ন আহবায়ক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ শাখা ।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন