রবিবার, ৩ মার্চ ২০২৪

বঙ্গবন্ধু বলেছিল আমাকে মেরে ফেললে আমার লাশটাকে বাংলার মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিও – শেখ সেলিম

মোঃ তপু শেখ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

 

বিএনপি-জামাত স্বাধীনতা বিরোধী যুদ্ধ অপরাধী সন্ত্রাসী দল। জিয়া ছিল সাইলেন্ট কিলার তার কুপুত্র দেশের বাহিরে বসে হুকুম দিয়ে মানুষকে হত্যা করছে। মায়ের কোলে নিষ্পাপ শিশু পুড়িয়ে মারা হচ্ছে তাদের গণতন্ত্র।

বাংলাদেশের সব থেকে বেশি ক্ষতি করেছে জিয়া আর মোশতাক। খুনি জিয়ার দল বিএনপি। সংবিধানে থাকলে জিয়ার ও বিচার করা হতো। বিএনপি, জামাত ও তার দোসরা তারা সারা দেশে অগ্নিসংযোগ করছে। মায়ের কোলে নিষ্পাপ শিশু পুড়িয়ে মারা তাদের গণতন্ত্র। তারা দেশে গনহত্যার রাজনীতি শুরু করেছে। বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক, অস্প্রদায়িক আর মানবিক দল। আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বাংলার আপামর বাঙালি নিরাপদ শান্তিতে বসবাস করছে। বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে বাস, রেলে আগুন দিয়ে জঙ্গি সংগঠনে পরিণত হয়েছে। খুনিদের কোন দল হতে পারে না। বাংলার মানুষ ঘৃণাভরে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচনের পরেই তারা বাংলার জমিন থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।’

মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) বিকালে উলপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য গোপালগঞ্জ-২ আসনের ৮ বারের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি।

উলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল আলম স্বপন এর সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ ফজলে নাঈম, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান, সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাব উদ্দিন আজম, গোপালগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী লিয়াকত আলী, সাধারণ সম্পাদক আবু সিদ্দিক সিকদার পৌর আম্লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলিমুজ্জামান বিটু
জনসভার সঞ্চালনা করেন গোপালগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউ, এম রাসেল।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ হোসেন দিপু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের (জিইউজে) সভাপতি সৈয়দ মুরাদুল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃশিহাব উদ্দিন, সহ গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন