সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

বগুড়ায় জমে উঠেছে ঈদ মার্কেট নারীদের শীর্ষে

মোঃ তৌহিদ হাসান বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

 

 

ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ঈদকে ঘিরে বগুড়ার মার্কেট গুলোতে জমে উঠেছে কেনা-কাটা। সব বয়সের মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন শহরের বিভিন্ন মার্কেটে। যার যার পছন্দ অনুযায়ী কাপড় কিনছেন তারা। ঈদে উচ্চবিত্তরা ছুটছেন জলেশ্বরীতলার শোরুমগুলোতে, মধ্যবিত্তরা নিউমার্কেট ও নবাববাড়ীতে আর স্বল্প আয়ের ক্রেতারা ছুটছেন হর্কাস মার্কেটে। এছাড়া জুতার দোকানগুলোতে ভীড় করছেন ক্রেতারা।

শহরের মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা যায়, জামাকাপড়ের মধ্যে এবার নারীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে নায়রা। এরপর সায়রা ও অরগাঞ্জা। দেশী এবং ভারতের প্রতি পিচ নায়রা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়াও দেশীয় কাপড়ের পাশাপাশি ভারত ও পাকিস্তানের হরেক নামে বিক্রি হচ্ছে বাহারি পোশাক। শহরের সব মার্কেটেই বিক্রি করা হচ্ছে নায়রা। নিউ মার্কেটের দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে বাহারি রকমের শাড়ী। জলেশ^রীতলা অভিজাত বিপনীতে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পাঞ্চাবী, প্যান্ট-শার্ট, টি শার্ট, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নতুন নতুন ডিজাইনের পোশাক।

দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ক্রেতাদের ভীড় ততই বাড়ছে। মার্কেটগুলো সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ক্রেতারে উপচে পড়া ভীড়। ঈদ উপলক্ষে শপিং মল এবং মার্কেটগুলোতে আকর্ষনীয় ভাবে সাজানো হয়েছে। শপিং মলসহ শহরের কোথাও যাতে কোনো রকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় সেজন্য জেলা পুলিশ শুক্র থেকেই ২৪ ঘন্টা নিরাপত্তা প্রদান করে আসছে।

বগুড়া শহরের নিউ মার্কেট, জলেশ^রীতলা, রানার প্লাজা, পুলিশ প্লাজা, আলতাফ আলী মার্কেট, আলামিন কমপ্লেক্স, হকার্স মার্কেট ও অস্থায়ী হকার্স মার্কেটগুলোতে শুরু হয়েছে ঈদের কেনা কাটা। ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাপড় বিক্রেতা থেকে শুরু করে কসমেটিকস্ দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, এবারের ঈদ বাজারে নারীদের নতুন পোশাক নায়রা, সায়রা এবং অরগাঞ্জা। এছাড়াও বরাবরের মত উন্নত মানের থাই, চাইনিজ, লেহেঙ্গা, থ্রি-পিচ, টপস, ওয়ান পিচসহ দেশীও মানের কাপড় পাওয়া যাচ্ছে। বিলাসী ছেলে-মেয়েরা এমনকি তাদের অভিভাবকরাও এসব দোকানে ভীড় জমাচ্ছে। ঠিক একই ভাবে কসমেটিকস্ দোকান গুলোতে মেয়েদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ব্রান্ডের মেহেদীর চাহিদাই বেশী।

বরাবরের মতো এবারও প্রথম শ্রেণীর ক্রেতাদের মূল টার্গেট হচ্ছে রানার প্লাজা, ও জলেশ^রীতলা এলাকার বিপনী বিতানগুলোতে।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন