বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

পঞ্চগড়ে নির্বাচনী ক্যাম্প অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক ছড়িয়ে পড়েছে

খাদেমুল ইসলাম
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম
ধাপের নির্বাচনে প্রচারণাকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। একই ঘটনায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়েছে।
মোবাইলে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে। এর কিছু সময় পর আরেকটি নির্বাচনী প্রচারণা ক্যাম্পে হামলা ও কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। এতে উভয়পক্ষের মাঝে উত্তেজনা পরিবেশ বিরাজ করতে দেখা গেছে। এতে আহত হয় উভয় পক্ষের ৪-৫ জন।
বুধবার (১ মে) জেলার আটোয়ারী উপজেলার ধামোর হাটে এ ঘটনাটি ঘটে। রাতেই খবর পেয়ে থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এর আগে গত শনিবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধায় একই বাজারে পাশাপাশি অবস্থিত মোটরসাইকেল মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম ও ঘোড়া মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিছুর রহমানের নির্বাচনী ক্যাম্পে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মাঝে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
মোটরসাইকেল মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে নিজেদের ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগ করেছে তারা। এর আগে আমার কর্মী-সমর্থকরা প্রচারণা মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তারা তাদের গতিরোধ করে হামলা ও মারধর করে। এর মাঝে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের ক্যাম্পে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। একই সঙ্গে তারা আমাদের ক্যাম্পে এসে হামলা ও মারধর করে।

এদিকে ঘোড়া মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আনিছুর রহমান বলেন, ‘ধামোর ইউনিয়নে প্রায় ৯০ শতাংশ লোক আমার সমর্থক। আমার প্রতিপক্ষ মোটরসাইকেল, তারা বেশ কয়েকদিন ধরে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করছে। তারা বেশ কয়েকজন সন্ত্রাসীকে নিয়ে গিয়ে আমাদের ক্যাম্প ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এলাকার মানুষ ও সাধারণ ভোটার বিষয়টিকে মেনে নিতে না পেরে তাদের ঘোরাও করে আটক করে রাখে। বিষয়টি আমি জানতে পেরে প্রশাসনকে অবগত করি। প্রশাসন ঘটনাস্থলে গেলে তারা একটি আপসনামা দিলে সবাই চলে যায়। আমরা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে কোনো অভিযোগ দায়ের করিনি।’
এ বিষয়ে আটোয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিউল মাজলুবিন রহমান বলেন, ‘ঘটনা জানার পরেই ১৫ মিনিটের মধ্যে পুলিশসহ সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। উভয়পক্ষে এ ঘটনায় কোনো মামলা করবে না বলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার বরাবর একটি আবেদন দাখিল করে। আমরা তাদের অবহিত করেছি যে, এ ধরনের ঘটনা যদি আবারও পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে সকলে আইনের আওতায় আনা হবে। সকল নির্বাচনী ক্যাম্পগুলো বন্ধ করর দেয়া হবে। পরে বিষয়টি সকলেই মেনে নেন।’

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন