বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

পঞ্চগড়ে এখন দিনে গরম রাতে শীত পড়ছে প্রকৃতির বিরুপ প্রভাবের ফল

পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি খাদেমুল ইসলাম

 

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। হালকা হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে শহর ও গ্রামে। সেই হিমালয় থেকে নেমে আসা ঠান্ডা গ্রামে একটু বেশি, দ্রুতই পাল্টে যাচ্ছে এ জেলার আবহাওয়া। আজ বুধবার (৬ ডিসেম্বর ) সকালে সর্বনিম্ন ১৬ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করে পঞ্চগড়ে। সন্ধ্যার পর পরই কুয়াশায় পুরো এলাকা ছেয়ে যাচ্ছে। রাস্তা ঘাটে দেখা যাচ্ছে পথচারীরা রাতের বেলায় শীতের কাপড় পরে বেরাতে। সবুজ ঘাস ও গাছের পাতায় জমছে শিশিরের কণা। প্রকৃতিতে এখন হেমন্তকাল। শীতের বার্তা নিয়ে আসার কথা ছিল হেমন্তের। কিন্তু পঞ্চগড়ে এখন দিনে হেমন্ত, রাতে শীত। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এটা প্রকৃতির বিরূপ প্রভাবের কারণে হচ্ছে। হেমন্তের শুরু থেকেই দিনের বেলায় শান্ত বাতাস বইছে সর্বত্র। গাছে গাছে ফুটছে শিউলি, বকুলসহ নানা ফুল। মাঠে মাঠে বেড়ে উঠছে সবুজ আধা পাকা ধান। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে যেন সবুজ ও হালকা সোনালী রঙ ঢেলে দিয়েছে প্রকৃতি। প্রতিনিয়ত বইছে হিমেলে হাওয়া। সকালে পূর্ব আকাশ ফুঁড়ে উঠছে সূর্য। দিনে সর্বত্র গরম অনুভূত হচ্ছে। সারা দিন কড়া রোদ থাকলেও সন্ধ্যার পর শান্ত হয়ে আসছে প্রকৃতি। রাতে বইছে ঠান্ডা হাওয়া। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরম কমে যাচ্ছে। শরীরে লাগছে শীত। শেষ রাতে শীত অনুভূত হচ্ছে তীব্র। অনেকেই ঘরের ফ্যান বন্ধ রাখছেন। হালকা শীতের কাপড়ও গায়ে জড়িয়ে নিচ্ছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে, শিশু ও বৃদ্ধদের শেষ রাতে ব্যবহার করতে হচ্ছে শীতের কাপড়। যারা শীতের কাপড় গুছিয়ে রেখেছিলেন তারাও এখন ব্যবহারের জন্য গরম কাপড় বের করছেন। রাতে শীতের সঙ্গে কুয়াশা পড়ছে

 

লেপ-তোশকের দোকানে দিন দিন ভিড় বাড়ছে। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেল সাহ্ জানান, সকালে সর্বনিম্ন ১৬ দশমি দুই ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চ ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় । দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু রংপুর বিভাগ থেকে বিদায় নেয়ার পর এখন উত্তর দিক থেকে শীতল বায়ু প্রবাহিত হচ্ছে, ফলে শীত পড়তে শুরু করেছে। গত কয়েক দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন