বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

তেঁতুলিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

খাদেমুল ইসলাম
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি

পঞ্চগড় জেলায় তেঁতুলিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত। তেতুলিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। তাঁরা হলেন

জামানত হারালেন তেতুলিয়ায় উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী মাহমুদুর রহমান ডাবলু।

তেতুলিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে অংশ নিয়ে আনারস প্রতিকে জামানত হারালেন।এখানে
এ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন উপজেলা পরিষদ স্বতন্ত্রপদ প্রার্থী ব্যবসাহী মোঃ নিজাম উদ্দীন খান।

মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৮ শত ৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক প্রার্থী মোঃ মুক্তারুল হক মুকু ঘোড়া
প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১ হাজার ৮শত ৬৬ ভোট।তিনি দেবনগর ইউনিয়নের বিএনপির শ্রমিক নেতা।

কাজী আনিছুর রহমান দোয়াতকলম –

প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ৯ শত ৪ ভোট। তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক।

কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি
আব্দুল লতিফ তারিন কাপ-পিরিচ- প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ২ শত ৯৪ ভোট। তিনি জেলা আঃলীগ সদস্য।
আব্দু্ল লতিফ তারিন

তিনি ও জামানত হারালেন ষষ্ঠ তেতুলিয়ায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন২০২৪ ইং। তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ প্রথম ধাপে পঞ্চগড় জেলার তিন উপজেলায় (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী) নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ৩৭টি কেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে চলে ভোট গ্রহণ।

এ নির্বাচনে তিনটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে ৫ জন,। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮ জন। ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন প্রতিদ্বন্ধিতা করেন।

স্থানিয়রা জানায়, নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তারা সবাই ছিলেন আওয়ামীলীগের প্রবীন বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ নেতা ।দোয়াত কলম প্রতিক দুই বারের ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। আবার আনারস প্রতিক
ছিলেন বর্তমানে তেঁতুলিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান। সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিএনপি শ্রমিক নেতা
ঘোড়া প্রতিক ছিলেন।
কেউ আবার কেন্দ্রীয় নেতা। এদের সবাইকে তাক লাগিয়ে মোটরসাইকেল প্রতিক নিয়ে বিশাল ব্যবধানে চেয়ারম্যান হিসেবে জয়যুক্ত হয়েছেন নিজাম উদ্দিন খান।
একটি নির্বাচনি এলাকায় যত ভোট পড়ে তার শতকরা সাড়ে ১৫ শতাংশ ভোট প্রার্থীরা যদি না পান তাহলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। সে হিসেবে এবারও একটি বড় সংখ্যক প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কিন্তু ঠিক কতজন প্রার্থী, তার সঠিক হিসেব পাওয়া যায়নি। কোন কোন আসনে দেখা গেছে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীই জামানতের টাকা ফেরত পাওয়ার মতো ভোট পাননি।

থেকে আরও পড়ুন

থেকে আরও পড়ুন